Wednesday, April 17, 2019

বিদেশি পড়ুয়াদের রাজ্যে টানতে উদ্যোগী মাকাউট 


বিভিন্ন দূতাবাসের প্রতিনিধিদের সঙ্গে উপাচার্য 

মেধা বাইরের রাজ্যে চলে যাচ্ছে বারবার অভিযোগ ওঠে। রাজ্য প্রশাসনের তরফেও এই নিয়ে উৎকণ্ঠা দেখা গিয়েছে। এবারে এই ব্যবস্থার কার্যত 'রিভার্স স্যুইং' করাতে চাইছে পশ্চিমবঙ্গের মৌলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাকাউট)।
 তাই বাংলা নববর্ষের দিনে সন্ধ্যায় এক অনুষ্ঠানে প্রায় কুড়িটি ভিন দেশের দূতাবাসের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলাপচারিতায় সে দেশের পড়ুয়াদের এ রাজ্যে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে পদক্ষেপ করলেন মাকাউটের উপাচার্য সৈকত মৈত্র। বিশ্ববিদ্যালয়ের নানা পেশাগত কোর্স, সার্টিফিকেট কোর্স তুলে ধরে চাকরির সম্ভাবনা এবং বিশেষ করে পড়ুয়াদের কীভাবে শিল্পদ্যোগী করা যায় আলোচনা হল তা নিয়েও। তবে ভিন দেশের কনস্যুলেটরা জানিয়ে দিলেন পরিকাঠামোর আরও উন্নতি প্রয়োজন।


কোর্স নিয়ে বক্তব্য রাখছেন উপাচার্য 
আলোচনার শুরুতেই অধ্যাপক সৈকত মৈত্র জানান, ভিন দেশের নানা কোর্সকে তুলে এনে অনলাইনে এখানকার বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের দিয়ে সেগুলি পড়ানোর ব্যবস্থা রয়েছে। তাছাড়া এআইসিটিই অনুমোদিত নয় এ রকম প্রায় একশোটি কোর্স রয়েছে। যেখান থেকে চাকরির বহু সুবিধা রয়েছে। এ রাজ্যে ১৯৮টি সরকারি ও বেসরকারি কলেজে যথাযথ পরিকাঠামো থাকলেও সেগুলির আরও উন্নতি হচ্ছে বলে জানান উপাচার্য।  
কলকাতার চেহারা যে ভাবে আগের থেকে পরিবর্তন হয়েছে সেভাবেই এখানকার উচ্চ শিক্ষার আদল বদলে দিতে প্রতি নিয়ত পাঠ্যক্রম পরিবর্তন করা হয় বলে জানান তিনি। তিনি আশ্বস্ত করেন এ রাজ্যে প্রযুক্তি নিয়ে পড়াশোনা করার যাবতীয় কলেজ ও উপযুক্ত পাঠ্যক্রম রয়েছে। যাতে বিদেশ থেকে আসা কোনও পড়ুয়ার অসুবিধা না হয়। সে কারণেই উপাচার্য বলেন, "বাইরে থেকে পড়ুয়া এনে 'রিভার্স স্যুইং করতে হবে। এর জন্য এ রাজ্যে সমস্ত কিছু তৈরি। নতুন কোর্সগুলো একটা 'গ্লোবাল প্লাটফর্ম' তৈরি করবে। বেস্ট সিলেবাস করার জন্য মকলে মিচেষ্টা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। ক্রেডিট ট্রান্সফার , প্রোগ্রাম ছাড়াও নানা রকমের অভিনব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।   



তবে এ দিনে সেখানে উপস্থিত ছিলেন ফ্রান্স, জার্মানি, নেপাল, চিন সহ বিভিন্ন দেশের কনস্যুলেটরা।



সাংবাদিকদের সঙ্গে উপাচার্য




বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত এই সংক্রান্ত খবর  


আনন্দবাজার পত্রিকা






 দি টেলিগ্রাফ 




বর্তমান 


দি স্টেটসম্যান



এই সময় 







Monday, April 8, 2019



চিকিৎসা ব্যবস্থার ভিত গড়তে হবে ডিজিটাল দিয়েই

কর্মশালায় বক্তব্য রাখছেন উপাচার্য সৈকত মৈত্র 

শিক্ষায় ডিজিটালের প্রবেশ ঘটেছে অনেক আগেই. ব্যতিক্রম হয়নি স্বাস্থ্যেও. কিন্তু স্বাস্থ্যে ডিজিটালের প্রবেশ ঘটলেও সমস্ত ক্ষেত্রে সেই সুবিধা এখনও পাওয়া যায়নি বলেই মত অনেকের. তাই এ বার সেই দিকে নজর দিচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের মৌলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাকাউট).



সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের সল্টলেক ক্যাম্পাসে ডিজিটাল হেল্থ নামক এক কর্মশালার আয়োজন করা হয়. সেখানেই উপাচার্য সৈকত মৈত্র জানান, ডাক্তারদের সঙ্গে রোগীর মত আদান প্রদান, রোগীর যাবতীয় তথ্য সংরক্ষণ, ডিজিটাল পদ্ধতিতে চিকিসা ব্যবস্থার আরও উন্নতি ঘটাতে হবে. এমনটাই চাইছেন চিকিসকেরাও.


কিন্তু তার যাবতীয় পরিকাঠামো গড়ে তুলতে প্রশিক্ষিত কর্মীদের প্রয়োজন. সে কথা মাথায় রেখেই  সার্টিফিকেট ও স্নাতক কোর্স চালু করবে মাকাউট. ওই কর্মশালায় উপস্থিত ছিলে্ন শহরের ও ভিন রাজ্যের এমনকী ভিন দেশের সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালের কয়েকজন চিকিসক, কলেজের পদাধিকারী ও ছাত্রছাত্রীরা. ভিন দেশ চিকিসকেরা অনলাইনে স্কাইপের মাধ্যমে তাঁদের মতামত জানান. কর্মশালায় উপস্থিত চিকিসকেরা্ও জানান, চিকিসা পদ্ধতির সর্বস্তরে ডিজিটালের খুব বেশি করে প্রয়োজন হয়ে পড়েছে. সার্বিক উন্নতি ডিজাটালের সাহায্য ছাড়া সম্ভব নয়. সে কারণে দ্রুত এই বিষয়ে পদক্ষেপ করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়কে অনুরোধও করেন তাঁরা.





উপাচার্য জানান, ই-হেল্থ, এম-হেল্থ বিদেশে বেশ জনপ্রিয়. আমাদের দেশে এবং রাজ্যেও সেটা ভাল ভাবে চালু করতে হবে. তার জন্য প্রয়োজন সচেতনতা ও ইচ্ছা এবং তাগিদ. সে কারণে সর্বপ্রথম বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফ থেকে এই উদ্যোগ নেওয়া হল. ওই কর্মশালায় উপস্থিত থাকা কয়েকজন চিকিৎসকও উপাচার্যের পক্ষেই সওয়াল করেন. সমাজের সর্বস্তরে এই বিষয়ে সচেতন করতে পারলে গোটা স্বাস্থ্য ব্যবস্থারই পরিবর্তন হয়ে যাবে বলে মত তাঁদের.  সমাজের সর্বস্তরে এই বিষয়ে সচেতন করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফ থেকে আরও বেশি করে পদক্ষেপ করা হবে বলে জানান কর্তৃপক্ষ.


এরপর প্রায় দুপুর তিনটে পর্যন্ত বিভিন্ন চিকিৎসকেরা এই বিষয়ে সকলকে অবহিত করেন. স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সার্বিক উন্নতির জন্য সকলেই উদ্যোগী হবেন বলে আশ্বাসও দেন. এই খবর প্রকাশিত হয় আনন্দবাজার পত্রিকা, একদিন এবং দ্য স্টেট্সম্যানেও.

Monday, April 1, 2019


উদ্ভাবন হোক সমাজের জন্য,
আইপিআর কর্মশালায় বার্তা উপাচার্যের
মঞ্চে উপাচার্য ড. সৈকত মৈত্র ও কলেজের এক প্রতিনিধি
সেই উদ্ভাবনই সফল হবে যার মাধ্যমে উপকৃত হবে  সামাজের সাধারণ মানুষ. সেই দিকে লক্ষ্য রেখেই ছাত্রছাত্রীদের এগনোর বার্তা দিলেন পশ্চিমবঙ্গের মৌলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৈকত মৈত্র. সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের সল্টলেক ক্যাম্পাসে মাকাউটের একতা ইনকিউবেশন সেন্টারের তত্ত্বাবধানে আয়োজিত--ওয়ার্কশপ অন ইন্টেলেকচুয়াল প্রোপার্টি রাইট নামক শীর্ষক কর্মশালায় ছাত্রছাত্রীদের সমাজের জন্য নানা রকমের উদ্ভাবনী ভাবনাকে বাস্তবে রূপায়নের কাজে উদ্যোগী হতে পারমর্শ দেন. উদাহরণ স্বরূপ তিনি কলকাতার একটি কলেজের ছাত্রছাত্রীদের উদ্ভাবনের কথা বলেন. যেখানে যন্ত্রচালিত ঢেঁকি তৈরি করেছিলেন ছাত্রছাত্রীরা. যেটা এ রাজ্যের বিভিন্ন গ্রামে চালু করা হয়. কম সময়ে বেশি পরিমাণ কাজের জন্য উপকৃত হন গ্রামবাসীরা. এ ভাবেই হাতে কলমে সামাজিক কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকা উদ্ভাবনগুলিকে সাদরে গ্রহণ করা হয়.





কর্মশালায় বিশিষ্টরা

তবে এই উদ্ভাবনী শক্তিকে বাস্তবে প্রয়োগ করতে হলে তার নিয়মকানুন জানাও জরুরী. সে কারণে ছাত্রছাত্রীদের সেই সম্পর্কে তথ্য দেওয়ার জন্য একতার তরফে কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছিল. সঙ্গে ছিল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রকের সংস্থা টাইফ্যাক. সেখানে উপস্থিত ছিলেন টাইফ্যাকের এক কর্তা যশবন্ত দেব পানওয়ার. আইপিআর-এর পর্যালোচনা নিয়ে তিনি ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে আলোচনা করেন. পেটেন্ট সম্পর্কে নানা তথ্য তুলে ধরেন সুদীপ্তা ব্যানার্জী, সঞ্চিতা গাঙ্গুলি, মহুয়া হোম চৌধুরী, সন্তোষ কে সামন্তরায়, ধনপত রাম আগরওয়াল.
 মঞ্চে একতার অধিকর্তা অধ্যাপক ড. সুখেন্দু সমাজদার 

একতার অধিকর্তা অধ্যাপক ড. সুখেন্দু সমাজদার জানান, ছাত্রছাত্রীরা আরও বেশি করে বিভিন্ন বিষয়ে পেটেন্ট তৈরিতে মনোনিবেশ করুক. কিন্তু তার জন্য সুস্পষ্ট ধারনা ও নির্দেশিকা জানা প্রয়োজন. তাই এই কর্মশালা আয়োজন করা হয়েছিল. আগামী দিনে এ রকম আরও কর্মশালা করা হবে. একতা ইনকিউবেশন সেন্টার তৈরির প্রধান উদ্দেশ্যই হল ছাত্রছাত্রীদের উদ্ভাবনী শক্তিকে সমাজের কাজে পৌঁছে দেওয়া. তার ফলে ছাত্রছাত্রীদের কাজকর্ম য়েমন স্মরণীয় হয়ে থাকবে তেমনই সমাজের প্রত্যেকে উপকডত হবে. মাননীয় উপাচার্য ড. সৈকত মৈত্র যেমন ভাবে ছাত্রছাত্রীদের উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগাতে চান সে ভাবেই একতা কাজ করছে বলে জানান ড. সমাজদার. উক্ত অনুষ্ঠানে যোগদানকারী সকলকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে শংসাপত্র দেওয়া হয়.

Friday, March 29, 2019


শুধুমাত্র চাকরির জন্য নয়,
 শিল্পের সম্ভাবনা ও চাকরির বাজার তৈরির জন্য নিজেকে উপযুক্ত করো

বক্তব্য- অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন অধ্যাপক ড. শিবময় দাশগুপ্ত
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে চাকরির বাজারের দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে. ক্রমশ সংকুচিত হচ্ছে এই বাজার তাই আগামী প্রজন্মকে চাকরির বাজার তৈরি করার জন্যে নিজেকে গড়ে তোলার ডাক দেওয়া হচ্ছে সর্বত্র. সম্প্রতি কলকাতায় আইলিড কলেজের তরফে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এই বার্তাই দিলেন কলেজের চেয়ারম্যান প্রদীপ চোপরা. ওই অনুষ্ঠানেই উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মৌলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাকাউট)-এর দুই অধ্যাপক ড. শিবময় দাশগুপ্ত এবং ড. প্রশান্ত নারায়ণ দত্ত. পেশাগত নানা কোর্স ও অল্প সময়ের মধ্যে নিজেকে গড়ে তোলার সার্টিফিকেট কোর্সের বিবরণ দিয়ে অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিভিন্ন স্কুল পড়ুয়াদের পথে দেখালেন তাঁরা.

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন আইলিডের চেয়ারম্যান প্রদীপ চোপরা
কয়েক দশক আগে কী ভাবে ছোট্ট একটি ব্যবসা থেকে শুরু করে বর্তমানে কলকাতার প্রথম সারির ব্যবসায়ী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন সেটা পড়ুয়াদের সামনে তুলে ধরেন প্রদীপবাবু. পাশাপাশি বই পড়ার অভ্যাস তৈরি কতটা প্রয়োজনীয় নিজের জীবনের নানা ঘটনা তুলে ধরে সেটা পড়ুয়াদের বোঝান তিনি. অনলাইনে শিক্ষাসংক্রান্ত নানা রকমের ভিডিও দেখে নিজেদের সমৃদ্ধ করার পরামর্শ দেন তিনি. মাকাউটের উপাচার্য সৈকত মৈত্রের উদাহরন দিয়ে তিনি বলেন, উপাচার্যের মত মানুষ এখনও অনলাইনে শিক্ষামূলক ভিডিও দেখে নিজেকে আরও সমৃদ্ধ করেন. এ ভাবেই পড়ুয়া ও অধ্যাপকদেরও একই ভাবে অনলাইন ভিডিও দেখার ওপর জোর দিতে বলেন তিনি.  শিল্পের সম্ভাবনাকে বাড়িয়ে দ্রুত চাকরির বাজার তৈরিতেও মন দিতে বলেন ওই অনুষ্ঠানে থাকা শিক্ষামহলের বিভিন্ন মানুষেরা.
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন অধ্যাপক ড. প্রশান্ত নারায়ণ দত্ত

তবে সব থেকে বেশি জোর দেওয়া হয় চাকরির বাজার তৈরি রতে পড়ুয়াদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি.প্রযুক্তি যে ভাবে দ্রুততার সঙ্গে অগ্রসর হচ্ছে সেখানে বাজার তৈরি করতে না পারলে হাতে গোনা কয়েকটি চাকরি দিয়ে আগামী প্রজন্মের উন্নতি করাও কষ্টসাধ্য. মাকাউটের অধ্যাপক শিবময়বাবু জানান, বিশ্ববিদ্যালয়  বিভিন্ন পেশাগত ও ভোকেশনাল কোর্স চালু করেছে. যার ফলে কোথাও চাকরি পেতে বা চাকরির বাজার তৈরি করতে নিজেদের য়োগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে পারবেন পড়ুয়ারা. বর্তমানে ভোকেশনাল কোর্সকে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন ডিগ্রির মর্যাদা দিয়েছে. ওই কোর্সের স্নাতকোত্তর এমনকী গবেষণা পর্যন্ত করতে পারেন পড়ুয়ারা. অতীতে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের চাহিদা ও বর্তমানে সেই চাহিদা কোন পর্যায়ে রয়েছে সেটা পড়ুয়াদের সামনে তুলে ধরেন অধ্যাপক দাশগুপ্ত . স্নাতক কোর্স করতে মাকাউটের অধীনে থাকা 196টি কলেজ ও স্নাতকোত্তর কোর্স করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের কথা উল্লেখ করেন তিনি. ওই সমস্ত কোর্স করে কী ভাবে চাকরির বাজার তৈরি করা যায় তা দিক নির্দেশ করেন ওই অধ্যাপক.


পাশাপাশি স্বল্প সময়ে কী ভাবে নানা সার্টিফিকেট কোর্স করে নিজেকে উপযুক্ত করা যায় তার পথ দেখান অধ্যাপক প্রশান্ত নারায়ণ দত্ত. তিনি বলেন, উচ্চ মাধ্যমিকের পর দীর্ঘমেয়াদি তিন বছরের স্নাতক কোর্সের বিকল্প হিসেবে স্বল্পমেয়াদি তিন থেকে ছ মাসের এই কোর্সগুলিও রয়েছে. স্বল্পমাসের এই সার্টিফিকেট কোর্স গুলিতে চাকরির কোথায় সুযোগ রয়েছে এবং নিজে থেকেই কী ভাবে চাকরির বাজার তৈরি করা যায় সেই দিকে লক্ষ্য রাখার জন্য পড়ুয়াদের সচেতন করেন অধ্যাপক দত্ত. 


Tuesday, March 26, 2019


পশ্চিমবাংলার ক্ষুদ্র ও অতিক্ষুদ্র শিল্পের বিশ্বায়নে উদ্যোগী মাকাউটের একতা


পর্যালোচনা-শালপাতার তৈরি থালার মানোন্নযন নিয়ে আলোচনায় একতার অধিকর্তা সুখেন্দু সমাজদার সহ প্রস্তুতকারকরা

শালপাতার থালা তৈরি হোক বা পাটের তৈরি কারুকার্য করা শিল্প. এ বাংলায় তার জুড়ি মেলা ভার. কিন্তু এই শিল্পকে শুধু  জেলা, রাজ্য বা দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে হবে না. যথার্থ অর্থে এই শিল্পের বিশ্বায়ন প্রয়োজন. যে কারণে সম্প্রতি  মৌলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাকাউট) সল্টলেক ক্যাম্পাসে কেন্দ্রের বাণিজ্য মন্ত্রকের টাইফ্যাক এর প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি ক্ষুদ্রশিল্পের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের সাক্ষাতের ব্যবস্থা করিয়েছিল মাকাউটের একতা ইনকিউবেশন সেন্টার. কী ভাবে প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে ওই সমস্ত শিল্পকে গোটা বিশ্বের বাজারে হাজির করানো যায় এটাই ছিল তার মূল লক্ষ্য.
প্রকারভেদ- কত মানের শালপাতা রয়েছে সেটা দিল্লির মন্ত্রকের সদস্যদের বোঝাচ্ছেন অধিকর্তা 

বাঁকুড়া, বিষ্ণুপুর, কলকাতা, সহ বিভিন্ন জেলা থেকে মানুষেরা এসেছিলেন তাঁদের শিল্পের নমুনা নিয়ে. টাইফ্যাকের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে তাঁরা জানিয়েছেন ঠিক কোন কোন ক্ষেত্রে কী ভাবে প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে শিল্পের উন্নতি ঘটানো যায়. একতা ও টাইফ্যাক সম্মিলিত ভাবে সেই সহযোগিতা করবে. ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি ক্ষুদ্র শিল্পকে বেছে নেওয়া হয়েছে যেগুলিকে উচ্চ স্তরে নিয়ে যাওয়ার জন্য এগোতে শুরু করেছে একতা ও টাইফ্যাক.


অন্যান্য শিল্পদ্যোগীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলছেন দিল্লির টাইফ্যাকের সদস্যরা






বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৈকত মৈত্র প্রথম থেকেই এই সমস্ত ক্লাস্টারের উন্নতিতে জোর দিতে পরামর্শ দিয়েছেন.  একতা-র অধিকর্তা অধ্যাপক ড. সুখেন্দু সমাজদার বলেন, বাংলায় ওই সমস্ত শিল্পের সঙ্গে বহু দেশই পাল্লা দিতে পারবে না. বিশ্বের দরবারে একবার এগুলিকে হাজির করাতে পারলে আগামী দিনে পিছন ফিরে দেখতে হবে না. আপাতত সেই লক্ষ্যেই কিছু করে দেখাতে আমরা বদ্ধপরিকর. এর ফলে যে শুধু বাংলার ব্যবসার উন্নতি হবে সেটা নয়, সেই মানুষগুলিকে সম্মান জানানো হবে যাঁরা প্রতিনিয়ত লড়াই করে বেঁচে থাকতে এই সমস্ত শিল্পকে আঁকড়ে ধরে রয়েছেন. তাঁদের মুখে হাসি ফোটানো যাবে.  

অনুষ্ঠান মঞ্চে অধিকর্তা










Monday, March 25, 2019


পাঠ্যক্রম ও পঠন-পাঠনে আদ্যোপান্ত ডিজিটালের ছোঁয়া


সল্টলেক ক্যাম্পাসে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের বিষয়ে আলোচনা

আলতা হোক বা শাড়ি, গাড়ি হোক বা বাড়ি
 নানা সংবাদপত্রে, দেওয়ালে পোস্টার ও লিফলেট বিলি করেই চলত বিজ্ঞাপনের যাবতীয় কাজ. কিন্তু ক্রমশই সেই বাজারে ভাগ বসিয়েছে ডিজিটাল মাধ্যমমানুষের হাতের মধ্যে বিজ্ঞাপনকে মেলে ধরতে এই মাধ্যম ক্রমশই জনপ্রিয় হচ্ছে যে কারণে ডিজিটাল মার্কেটিং নামে কোর্সও চালু হয়েছে মৌলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়েএ বার পড়ুয়াদের মধ্যে এই কোর্সচিকে কী ভাবে আরও জনপ্রিয় করা যায় তা নিয়েই সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের সল্টলেক ক্যাম্পাসে কর্মশালার আয়োজন করেছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সেখানে আসা বিভিন্ন কলেজের প্রতিনিধিদের এই বিষয়টি নিয়ে পড়ুয়াদের মধ্যে সচেতন করতে উদ্যোগী হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে 
এ প্রসঙ্গে উল্লেখ করতেই হয়, ডিজিটাল মার্কেটিং শেখানো হবে অথচ পঠন পাঠনের পদ্ধতি হবে সাদা মাটা এই যুগলবন্দী কার্যত অসম্ভবব্ল্যাকবোর্ড, চক ডাস্টারের বদলে স্থান পেয়েছে প্রোজেক্টার ও কম্পিউটার তাই এই কর্মশালার আগেই ডিজিটাল লার্নিং ব্যবস্থাকে আরও সক্রিয় করতে পরামর্শ দিয়েছিলেন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সৈকত মৈত্র সল্টলেক ক্যাম্পাসে হওয়া এক কর্মশালায় এই বিষয়ে তাঁর পরামর্শ, পঠনপাঠনের গোটা পদ্ধতিতে আরও বেশি করে ডিজিটাল পদ্ধতি প্রয়োগ করতে হবে পুরনো পদ্ধতির বদলে পঠন পাঠন প্রক্রিয়ায় নিয়ে আসতে হবে একেবারে নতুন ভাবন। ডিজিটাল পদ্ধতির মাধ্যমে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে হবে ক্লাসরুমকে




প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিজিটাল পদ্ধতিতে পঠন পাঠন শুরু হয়েছে। তবে লক্ষ্য রাখা জরুরী গোটা পদ্ধতি যেন সঠিক ভাবে কাজে লাগানো যায়। পাশাপাশি ওই কর্মশালায় উপাচার্য জানান, ম্যাসিভ ওপেন অনলাইন কোর্স (মুকস) চালু করে পড়ুয়াদের কাছে আরও বেশি করে পৌঁছে যেতে। শিক্ষামহলের মত, শিক্ষক-ছাত্রের সুসম্পর্কও এখন অনেকটাই ডিজিটাল পদ্ধতির ওপরে নির্ভর করছে। কারণ পাঠদানের সময়ে পড়ুয়াদের তথ্য ও জ্ঞান দেওয়ার পাশাপাশি ডিজিটাল মাধ্যমের সাহায্য নিলে সেটা ছাত্রছাত্রীদের কাছে অনেক বেশি গ্রহণযোগ্য হবে।  
ওই কর্মশালায় উপাচার্য জানান, এই বিশ্ববিদ্যালয়ে মুকসের সুযোগ চালু হওয়ার ফলে অনলাইনে আরও বেশি কোর্স করতে পারবেন পড়ুয়ারা। আগামী দিনে ডিজিটাল লার্নিং ও ডিজিটাল মার্কেটিং হাত ধরাধরি করে আরও বেশি অগ্রসর হবে আর সেই পথে যেন মাকাউটের পড়ুয়ারা সাফল্যের সঙ্গে এগিয়ে যেতে পারে  তার জন্য সদা সচেষ্ট মাকাউট।


পঠনপাঠনের বাস্তুতন্ত্র রক্ষা করতে শিক্ষায় প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধির পরামর্শ উপাচার্য সৈকত মৈত্রের

সমবেত: কালিম্পংয়ের অনুষ্ঠানে উপাচার্য ও কলেজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে পড়ুয়ারা

সময়োপযোগী বিভিন্ন পাঠ্যক্রম চালু করেছে মাকাউট.


সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ক্রমশ পরিবর্তিত হচ্ছে পাঠ্যক্রমের চাহিদা. সেই দিকে নজর রেখে প্রতিনিয়ত সেই তালিকায় সংযোজন হচ্ছে নিত্যনতুন কোর্সের. যে কারণে দীর্ঘ তালিকার পেশাগত কোর্স সম্পর্কে কালিম্পংয়ের বাসিন্দারাও যেন বিশদে জানতে পারেন এবং কলেজগুলিতে ওই কোর্সগুলি চালু হয় মূলত সেটা বোঝাতেই সম্প্রতি কালিম্পংয়ে গিয়েছিলেন উপাচার্য সৈকত মৈত্র.
কালিম্পংয়ের রকভেল ম্যানেজমেন্ট কলেজের ওই অনুষ্ঠানে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিনান্স অফিসার ড.অত্রি ভৌমিক, আইলিড কলেজের চেয়ারম্যান প্রদীপ চোপড়া, এনএসএইচএম-এর অধিকর্তা কৃষ্ণেন্দু সরকার, আইএমএস এর অধিকর্তা ড. তাপস রঞ্জন সরকার, টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপের পক্ষ থেকে ড. অরিন্দম রায় এবং বিবিআইটি-র পক্ষ থেকে প্রিয়াঙ্কা চট্টোপাধ্যায়  প্রমুখ.
রকভেল ম্যানেজমেন্ট কলেজের অধিকর্তা ক্যাপ্টেন প্রকাশমণি প্রধান মাকাউট পরিবারের সঙ্গে সাংবাদিক সম্মেলন করেন. সেখানে তিনি জানান, কালিম্পং এর বিদ্যার্থী, অভিভাবকদের বিশ্ববিদ্যালয়ের নানা পেশাগত ও অন্যান্য প্রশিক্ষণ মূলক কোর্স সম্পর্কে সচেতন করার জন্যই উপাচার্য সেখানে গিয়েছিলেন.  ওই অনুষ্ঠানে উপাচার্য জানান, পড়ুয়াদের মধ্যে শিল্পোদ্যোগী মনোভাব তৈরি এবং তাঁদের চাকরির উপযোগী করে তোলার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় নিরলস কাজ করে যাচ্ছে. সমাজের সর্বস্তরে ওই বার্তা পৌঁছনোর লক্ষ্যেই মাকাউট পরিবারের পক্ষ থেকে উপাচার্য কয়েকজনকে নিয়ে ওই অনুষ্ঠানে বার্তা দেন. রিয়েল এস্টেট ম্যানেজমেন্ট, বায়োটেকনোলজির মতো বিভিন্ন প্রফেশনাল কোর্স বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন কলেজে চালু করা হয়েছে.
পঠন-পাঠন পদ্ধতিকে আধুনিকীকরণ এবং সময়োপযোগী করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় সচেষ্ট. বেকার সমস্যা সমাধানেও অগ্রণী ভূমিকা নিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়. অনলাইন কোর্সের ব্যবস্থা করেছে বিশ্ববিদ্যালয়. যে কোনও চাকুরিজীবী বা কোনও ব্যবসায়ী যেন ঘরে বসেই কোর্স করতে পারে সেই কথা মাথায় রেখে এই উদ্যোগ. বিশ্ববিদ্যালয়ের নজরে রয়েছে, বিভিন্ন প্রতিযোগীতার মধ্য দিয়ে কালিম্পংয়ের পড়ুয়াদের মধ্যে থাকা উদ্ভাবনী শক্তির বহিঃপ্রকাশ ঘটানো. তার ওপর ভিত্তি করেই ওই সমস্ত পড়ুয়াদের উচ্চ শিক্ষার দিশা দেখাবে বিশ্ববিদ্যালয়. প্রসঙ্গত, কালিম্পংয়ে এই কলেজটিই একমাত্র মাকাউট অনুমোদিত কলেজ. এই কলেজেও পেশাগত বিভিন্ন কোর্স চালু হতে চলেছে.


কালিম্পংয়ের অনুষ্ঠানে
অভিনন্দনঃ কালিম্পংয়ের অনুষ্ঠান মঞ্চে উপাচার্য সৈকত মৈত্রের সঙ্গে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পদাধিকারীরা





বক্তব্যঃ শিলিগুড়ির অনুষ্ঠান মঞ্চে বক্তব্য রাখছেন উপাচার্য সৈকত মৈত্র
শিক্ষাকে বাহন করার বদলে বহন করে চলায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর. দোল যাত্রার আগে শিলিগুড়িতে এক আলোচনা সভায় সেই সূত্র ধরেই সমাজের কাজে দলবদ্ধ ভাবে পড়ুয়াদের কাজে লাগানোর বার্তা দিলেন পশ্চিমবঙ্গের মৌলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাকাউট) উপাচার্য সৈকত মৈত্র. সৃজনশীলতা, প্রকৌশল জ্ঞান, নেতৃত্ব দানের ক্ষমতা ও ডিজিটালের দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে পড়ুয়ারা যেন শিল্প ও সমাজের উন্নতি করতে পারে, সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সেই পরামর্শ দেন তিনি. সম্প্রতি মাকাউটের জোন 1-এর নোডাল সেন্টার টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপের শিলিগুড়ি ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এসআইটি)-তে নিউ অ্যাকাডেমিক ইকো সিস্টেম নিয়ে আয়োজিত এক আলোচনাসভায় এই বক্তব্য রাখেন উপাচার্য.




শিলিুগুড়িতে উপাচার্যের সঙ্গে বিশিষ্টরা
অ্যাকাডেমিক ইকো সিস্টেম – এই নামের মধ্যে দিয়েই সকলকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে, শিক্ষা ও সমাজের যে বাস্তুতন্ত্র রয়েছে সেটাকে রক্ষা করতে হবে. পুকুরের বাস্তুতন্ত্রে যেমন একে অপরের পরিপূরক. ঠিক একই ভাবে শিক্ষাকে সমাজ ও শিল্পের কাজে লাগাতে হবে. তাহলেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সেই অসম্তোষ মিটবে বলে আশা শিক্ষা মহলের.  ওই অনুষ্ঠানে অংশ নেন জলপাইগুড়ি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, গনিখান চৌধুরী ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি, কালিম্পংয়ের রকভেল ম্যানেজমেন্ট কলেজ, শিলিগুড়ি  ইনম্পারিয়া নলেজ ক্যাম্পাস, মালদহের আইএমপিএস কলেজ অব ইঞ্জিনিয়ারিং ও প্রযুক্তি, শিলিগুড়ি আইআইএএস স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট এর অধ্যাপক ও অধিকর্তারা.  অনুষ্ঠানে প্রায় 115 জন সদস্য উপস্থিত ছিলেন.   
উপাচার্য পঠন পাঠনের পদ্ধতিতে প্রযুক্তিকে আরও বেশি করে ব্যবহার করার পরামর্শ দেন. তিনি জানান, প্রযুক্তি ও তার সাহায্যে উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগিয়ে পড়ুয়াদের সামগ্রিক বিকাশ করতে হবে. শিক্ষামহলের অধিকাংশই উপাচার্যের বক্তব্যের সমর্থন করেছেন. অধিকাংশেরই মত, প্রযুক্তির সাহায্যে বর্তমানে অনেক জটিল সমস্যারই সহজেই সমাধান করা যায়.  তাই পঠন পাঠনের পদ্ধতি হোক বা প্রয়োগ সর্বত্রই প্রযুক্তির ছাপ থাকা আবশ্যিক.এ ভাবে উদ্ভাবনী সম্ভাবনাকে সমাজের কাজে ব্যবহার করতে পারলে মাকাউটের অধীনে থাকা 196টি সরকারি ও বেসরকারি কলেজের প্রায় দেড় লক্ষ পড়ুয়ারা সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে যে অবদান রেখে যাবে সেটা দিনের আলোর মতো পরিষ্কার…

সংবাদপত্রে প্রকাশ

টুকরো মুহুর্ত