Wednesday, October 30, 2019

মৌলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাকাউট), পশ্চিমবঙ্গ-র মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক সৈকত মৈত্রের উদ্যোগে রাজ্যের স্কুল পড়ুয়াদের সার্বিক উন্নয়নে এ বার যুক্ত হচ্ছে মাকাউট। একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীর পড়ুয়াদের নিয়ে বিতর্ক সভা, ক্যুইজ প্রতিযোগীতা, অঙ্কন, পোস্টার লিখন সহ বিভিন্ন প্রতিযোগীতা মূলক কাজ শুরু হচ্ছে এই নভেম্বর থেকে।
প্রাথমিক ভাবে স্থির হয়েছে, মাকাউটের বিশেষজ্ঞ দল বিভিন্ন স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যুক্ত হয়ে সংশ্লিষ্ট স্কুলেই এই সমস্ত শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান করবেন। সেখানে  পড়ুয়াদের বিশেষ শংসাপত্র দেওয়া হবে।একই ভাবে সম্মানিত করা হবে ওই স্কুলকেও।

কেন এই উদ্যোগ?
মূলত স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যে প্রতিযোগীতা মূলক মনোভাব বৃদ্ধি এবং পাঠ্যপুস্তক গন্ডি পার করে বাইরের জগতের সম্যক ধারণা তৈরি করতে এই উদ্যোগ। মাননীয় উপাচার্য মনে করেন এই রাজ্যের পড়ুয়াদের মধ্যে সমস্ত রকমের উদ্ভাবনী ক্ষমতা রয়েছে। সেগুলির বিকাশ হতে শুধু মঞ্চ দরকার। স্কুল কর্তৃপক্ষ যে ভাবে পড়ুয়াদের নানা কাজে উৎসাহ দেন তার পাশাপাশি মাকাউট অংশ নিলে পড়ুয়াদের আরও উন্নতি হবে বলেই আশা। তাই নভেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে নতুন এই কার্যকলাপ। যা চলবে গোটা বছর ধরেই।

Thursday, October 24, 2019

এ বার আর একা নয়। স্থানীয় প্রশাসনকে সঙ্গে নিয়ে গোটা রাজ্য জুড়ে প্রযুক্তি ও ম্যানেজমেন্ট কোর্স প্রচার শুরু করছে মৌলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সৈকত মৈত্রর উদ‍্যোগে প্রযুক্তির নানা কোর্স ও তার সুফল গুলি এবার পৌঁছে যাবে সাধারণ মানুষের ঘরের অন্দরে। জীবনের আগামী দিনকে শক্ত ভিতের ওপর প্রতিষ্ঠা করতে বদ্ধপরিকর বিশ্ববিদ্যালয়।
ইতিমধ্যে হাওড়া পুরসভা ও বজবজ পৌরসভার সঙ্গে প্রাথমিক কথা হয়ে গিয়েছে। কিন্তু জানা দরকার কেন এই উদ্যোগ?
কয়েক মাস আগে থেকেই রাজ‍্যের বিভিন্ন স্কুলে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীর পড়ুয়াদের সচেতন করার কাজ শুরু হয়েছে। কিন্তু সাধারণ মানুষের মধ্যে এই বিষয়ে সচেতনতার খামতি থেকে যাচ্ছিল। সেই ঘাটতি পূরণ করতে এ বার স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সম্মিলিতভাবে এই কাজ শুরু হচ্ছে।

কী ভাবে চলবে এই সচেতনতা শিবির?
স্থানীয় প্রশাসন এই শিবিরের দিন ও স্থান ঠিক করবে। সেখানে থাকবেন স্থানীয় সাধারণ মানুষ, পড়ুয়া ও তাদের অভিভাবকরা। মাকাউটের বিশেষজ্ঞরা সেখানে প্রযুক্তি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে বলবেন। উত্তর দেবেন প্রশ্নের।

সমাজ ক্রমশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং সেক্ষেত্রে অপরিহার্য হয়ে উঠছে প্রযুক্তি। তাই যুব সমাজ ও সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ খুবই জরুরী। সে কারণে উপাচার্য অধ্যাপক সৈকত মৈত্র প্রযুক্তিকে শুধু পঠনপাঠনে সীমাবদ্ধ না রেখে সকলের সঙ্গে একাত্ম করতে চাইছেন। যত বেশি পড়ুয়া প্রযুক্তির সঙ্গে এক হবে ততই প্রযুক্তির আরও দ্রুত উন্নতি হবে।
মাকাউটের আশা, স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় এ রাজ‍্যের সর্বত্র প্রযুক্তির  সক্রিয়ভাবে প্রসার ঘটানো যাবে।

Thursday, September 26, 2019

আইটি-র বিশেষ বিষয় নিয়ে পড়ার জন্য জয়েন্টে ভাল ফল করার পরেও বিটেক না করে মাকাউটের বিএসসি কোর্স শুরু করেছে বহু পড়ুয়া।

চাকরির কথা মাথায় রেখে এবং বিশেষ বিষয়ে পড়ুয়াদের পারদর্শী করতে ইনফরমেশন টেকনোলজি (আইটি) ইন-হাউস কোর্সকে ঢেলে সাজিয়েছে মৌলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইটি বিভাগ। আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স, ইন্টারনেট অব থিংস, ইনফরমেশন সিকিউরিটি, ব্লক চেন, ডাটা সায়েন্স সহ বিভিন্ন কোর্সকে বিশেষভাবে সাজানো হয়েছে। সমস্ত দিকে ভাসা ভাসা জ্ঞান না দিয়ে বিশেষ কিছু দিকের একদম গভীরে যাওয়ার জন্য এই উদ্যোগ। এই সমস্ত কোর্স গুলিতে পড়ুয়াদের বাড়তি উৎসাহ দেখা দিয়েছে। সে কারণে রাজ্য সরকার ও বিভিন্ন শিল্প গোষ্ঠীর সঙ্গে হাত ধরে কোর্সের পাঠ্যসূচি ঠিক করা হয়। এর ফলে চাকরির সুবিধা অনেকটাই বেড়েছে। তাঁদের সঙ্গে একসঙ্গে এই কোর্স করার ফলে আগামী দিনের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে ভাল ভাবে পরিচয় করে নিতে পারবে রাজ্য সরকার এবং ওই সমস্ত শিল্প গোষ্ঠীগুলো।
আইটির নানা বিষয় নিয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর কোর্স চালু হয়েছে। এমনকি এই সুবিধাও থাকছে যে কোনও বছর কোনও পড়ুয়া যদি কোর্স ছেড়ে দিতে চায় তাহলে সেই বছর পর্যন্ত তাকে ডিপ্লোমা ডিগ্রি দেওয়ার হবে। অর্থাৎ তিন বছরের কোর্স শেষ করলে তারা পাবে বিএসসি ডিগ্রি। তার আগেই অন্তত এক বছর পরে কোর্স বন্ধ করলে ডিপ্লোমা দেওয়া হবে।

 একই ভাবে স্নাতকোত্তর কোর্স এক বছর করার পরে বন্ধ করলে পাবে পিজি ডিপ্লোমা।এর পাশাপাশি বিদেশি পড়ুয়াদের এই সমস্ত কোর্সের প্রতি আগ্রহ বাড়াতেও পদক্ষেপ করা হয়েছে।
পঠনপাঠনে বেশি করে ডিজিটালের অন্তর্ভুক্তি করানো হয়েছে। ক্লাসরুমে শিক্ষকেরা এপ্লিকেশন ম্যানেজমেন্ট পদ্ধতি ক্যানভাস ব্যাবহার করছেন। পড়ুয়াদের বেশি করে সমস্যার সমাধানের ওপর জোড় দেওয়া হয়েছে। এপ্লিকেশন এবং হাতে কলমে বেশি করে কিছু করে দেখতে পড়ুয়াদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। যার ফলে এটা বলা যায়, মাকাউটের আইটি-র পড়ুয়ারা অনেকের থেকে বেশি সাবলীল হয়ে উঠছে।

Friday, September 13, 2019






মৌলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পশ্চিমবঙ্গ -এ Associate Professor, Assistant Professor  এবং  Professor পদে নিয়োগ। 


অনলাইনে আবেদন করার শেষ সময়সীমা  1 st October, 2019.


বিস্তারিত তথ্যের জন্য www.wbut.ac.in এই ওয়েবসাইটে গিয়ে vacancies কলামে click করুন।



সেপ্টেম্বর মাসেই বেশ কিছু পোস্টে নিয়োগ হচ্ছে। খোঁজ মিলবে সেগুলির। বেশ কিছু পোস্টে Walk-In-Interview এর খবর রয়েছে।  




মানুষ গড়ার কারিগরদের সম্মান জানাতে সম্বর্ধনা দিল বিশ্ববিদ্যালয়   




ড. সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণ 

সমাজকে  সেই শিক্ষা যাঁরা দেন তারা হলেন শিক্ষক। এক কথায় বলা যায় মানুষ ও সমাজ তৈরির কারিগর হলেন শিক্ষকেরা। তাঁদের হাতেই তৈরী হয় ভবিষ্যতের দিকপালেরা। তাই সেই প্রণম্য ব্যক্তিদের অবদানকে শিরোধার্য করে রাখে মৌলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। তাঁদের অবদানকে কুর্নিশ জানাতে ১২ জন শিক্ষককে বিশেষভাবে সম্বর্ধিত করল মাকাউট। সেই তালিকায় ছিলেন মাকাউটের দুজন অধ্যাপক , মাকাউটের অনুমোদিত কলেজের ৫ জন অধ্যাপক এবং স্কুল কানেক্ট প্রোগ্রাম হয়েছে এ রকম ৫ টি স্কুলের ৫ জন শিক্ষককে। তাঁদের নিষ্ঠা এবং পড়ুয়াদের প্রতি বিশেষ অবদানেই জন্য এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষা শুধু মুদ্রা উপার্জনের মাধ্যম নয়শিক্ষা হল মনুষ্যতে উত্তরণের সিঁড়ি।ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মহাশয়ের এর এই বাণী আজও সকলের মুখে ফেরে।

 অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক সৈকত মৈত্র, রেজিস্ট্রার পার্থপ্রতিম লাহিড়ী,  উপদেষ্টা শুভব্রত রায়চৌধুরী , ফিন্যান্স অফিসার অত্রি ভৌমিক সহ অনেকে।   

শিক্ষক সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানের এক ঝলক। ..............











হরিণঘাটা ক্যাম্পাসের এক অনুষ্ঠানে শিক্ষকদের সম্বর্ধনা জানানো হয়। এঁদের হাত ধরে আগামী সমাজ যেন আরো দূরে এগিয়ে যেতে পারে সেই আশাই রাখছে গোটা মাকাউট পরিবার।  


 
শ্রেণীকক্ষ 

Thursday, September 12, 2019



হবু বিজ্ঞানীদের সাধনা ক্ষেত্রের উদ্বোধন 


গবেষণাগার উদ্বোধনের আগে 

কথায় প্রচলিত রয়েছে গবেষনাগার আসলে বিজ্ঞানীদের নিজের ভালবাসার ঘর এবং সাধনা ক্ষেত্র।
যেখান থেকে পূরনো কত জিনিসের সত্যের ওপর দাঁড়িয়ে নতুন নতুন দিকের উন্মোচন করেন তাঁরা।বিজ্ঞানীদের কাছে এই গবেষণাগার আসলে সাধনা ক্ষেত্র। সে কারনে যে কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যত উন্নত গবেষণাগার থাকে সেখানে পড়ুয়ারা ততটাই নিজেকে মেলে ধরার সুযোগ পায় এবং ভবিষ্যৎ জীবনে নতুন কিছু আবিষ্কারের দিকে অগ্রসর হয় । এ রাজ্যের মৌলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সব সময়ে নতুন কিছু করে দেখানোর কাজে উৎসাহ দিয়ে এসেছে। তাই হরিণঘাটা ক্যাম্পাসে উন্নত গবেষণাগার তৈরী করা ছিল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে সব থেকে প্রধান কাজ। সে কথা মাথায় রেখেই  সেপ্টেম্বরের প্রথম দিকেই হবু বিজ্ঞানীদের কাছে তাঁদের সাধনা ক্ষেত্র তুলে দিলেন কর্তৃপক্ষ। বেশ কয়েকটি গবেষণাগারের উদ্বোধন করলেন মাকাউটের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক সৈকত মৈত্র সহ বিশিষ্ট জনেরা।এ রাজ্যে প্রযুক্তি প্রেমী পড়ুয়ারা তাদের ভাবনা থেকে তৈরী হওয়া নতুন কোনও দিকের প্রতি সমাজকে চালিত করবেন।

৩ সেপ্টেম্বর যে সমস্ত ল্যাবগুলির উদ্বোধন করা হয়েছে সেগুলি হল থ্রিডি প্রিন্টিং ল্যাব, রসায়নের ল্যাব, পদার্থবিদ্যার ল্যাব, নতুন প্রযুক্তির ল্যাব, নিজেদের উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগিয়ে পরিবেশ সংক্রান্ত নানা জিনিস সৃষ্টি এবং পরিবেশ রক্ষায় নতুন কোনো পদক্ষেপের দিশা দেখানোর জন্য উন্নতমানের গবেষণাগার।শুধু তাই নয়, এর পাশাপাশি থাকছে প্লান্ট বায়োলজি ল্যাব, সাইবার ফরেন্সিকের মত গুরুত্বপূর্ণ ল্যাব।


উদ্বোধনের মুহূর্তে 
 ল্যাবের উদ্বোধন হলেও পৃথিবীতে জল জল সঙ্কট তৈরী হওয়ার যে আশঙ্কা তৈরী হয়েছে সেখান থেকে সকলকে বাঁচাতে এবং পড়ুয়াদের মধ্যে সচেতনতা তৈরী করতে বৃষ্টির জল ধরে রাখা এবং ভূগর্ভস্থ জলকে সুরক্ষিত রাখতে প্রকল্পের উদ্বোধন করেন উপাচার্য সৈকত মৈত্র।




 সময় এবং প্রগতি যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে সেখানে দ্রুততার সঙ্গে পাল্ল্লা দিয়ে এগিয়ে যেতে হচ্ছে গোটা মানব জীবনকে। চলমানতাই জীবন, থেমে যাওয়াই মরণ। তাই নতুন গবেষণাগার তৈরী করে নতুন কিছু করে দেখানোর কাজে ব্রতী হতে পড়ুয়াদের সব সময় সহায়তা করবে মাকাউট। সেই লক্ষ্যে প্রাথমিক কাজ অর্থ্যাৎ উন্নত পরিকাঠামোর ব্যবস্থা করল মাকাউট।


উপাচার্য সৈকত মৈত্র 

আগামী দিনে এই রাজ্যের পড়ুয়ারা গোটা বিশ্বে তাদের অবদানের জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলেই আশা উপাচার্য সৈকত মৈত্রের। তাই শুধু গবেষনাগার তৈরিই নয়, পড়ুয়াদের গবেষণার সব রকমের সাহায্য করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ উপাচার্য এবং মাকাউটের সমস্ত অধ্যাপক ও কর্মচারী।









































নমস্কার 

Thursday, September 5, 2019

চলে গেলাম গঙ্গার অন্য এক কূল,
গন্তব্য উলুবেড়িয়ার নোনা হাই স্কুল


জায়গাটা কলকাতা থেকে বেশ দূরে। দক্ষিন ২৪ পরগনা থেকে বিচ্ছেদ হয়েছে শুধু গঙ্গার কারণে। মৌলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে খুব একটা পরিচিত নয় উলুবেড়িয়ার নোনা হাই স্কুলের একাদশ এবং দ্বাদশ শ্রেণীর  অধিকাংশ পড়ুয়া। কিন্তু প্রযুক্তির নানা কোর্সের সম্ভার দেখে অনেকেই বেশ আগ্রহ প্রকাশ করল। পরিচয় ঘটল মাকাউটের সঙ্গেও। সব থেকে বড় কথা উপভোগ করল স্কুল কানেক্ট প্রোগ্রাম কর্মশালা। গত অগস্ট মাসে ওই স্কুলে হওয়া এক কর্মশালায় প্রযুক্তির নানা খুঁটিনাটি শুনে নিল পড়ুয়ারা। প্রযুক্তির কোর্সকে তারা আগামী জীবনের পাথেয় করবে কিনা সেটা সময় বলে দেবে। কিন্তু হাতে মোবাইল, ঘরে টেলিভিশন এর মত আমাদের জীবনে সর্বত্র যুক্ত এবং ছড়িয়ে থাকা প্রযুক্তির অন্দরমহলের সঙ্গে পরিচিতি ঘটল তাদের।


উলুবেড়িয়া গরুহাটার কাছে এই নোনা হাই স্কুল। ওই দিনের কর্মশালায় হাজির ছিল বিজ্ঞান ও কলা বিভাগের পড়ুয়ারা। তাদের সব থেকে বেশি মন কেড়েছে হসপিটাল ম্যানেজমেন্ট এর মত কোর্স। হাসপাতালের সঙ্গে যুক্ত থেকে রোগিণীর পরিবার ও চিকিৎসকদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে কাজ করতে চায় তারা। এমনিতেই উলুবেড়িয়াতে রয়েছে বহু বেসরকারি হাসপাতাল। রয়েছে সরকারি মহকুমা হাসপাতালও। এই কোর্স করে সেখানেই ঝাঁপাতে চাইছে পড়ুয়ারা। একই ভাবে তাদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে এই পড়াশুনার খরচের তালিকা। যেটা তাদের অধিকাংশ সাধ্যের মধ্যেই বলে জানিয়েছে।


রোবোটিক্স, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, ইন্টারনেট অব থিংস এবং আইটি নিয়ে বাড়তি উন্মাদনা লক্ষ্য করা গিয়েছে। এছাড়াও রয়েছে ফরেন্সিকের মতো নানা কোর্স।


উপাচার্য অধ্যাপক সৈকত মৈত্র 

তবে অনেকের মনেই চাকরির সুযোগ পাওয়ার ঘটনা বার বার ঘুরে ফিরে এসেছে। এ প্রসঙ্গে মাকাউটের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক সৈকত মৈত্র জানিয়েছেন, যে প্লেসমেন্ট পোর্টাল রয়েছে সেখানে সরাসরি পড়ুয়াদের বিস্তারিত তথ্য তুলে দেওয়া থাকবে। যেখান থেকে চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই বাড়বে।


ড. শুভব্রত রায়চৌধুরী 
স্কুল কানেক্ট প্রোগ্রামের আহ্বায়ক তথা মাকাউটের পরামর্শদাতা ড. শুভব্রত রায়চৌধুরী বলেন, আগামী দিনে আমাদের সকলের প্রযুক্তি নির্ভরতা আরও বাড়তে চলেছে। তাই চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা এবং  সমাজের জন্য কিছু করে দেখানোর সুযোগ অনেকটাই বাড়বে। পড়ুয়ারা সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারলে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হবে না। কেরিয়ার গড়ার ক্ষেত্রেও অনেকটা ধাপ এগিয়ে যাবে আজকের পড়ুয়া ও আগামী দিনের প্রযুক্তির দিশা দেখানোর কান্ডারীরা।


যোগাযোগ - ড.শুভব্রত রায়চৌধুরী, ফোন --৭০৪৪৬৩৫৩৭৩

সুপ্রিয় তরফদার ফোন- ৮০১৭৬৬৯৩৫৯




উলুবেড়িয়া নোনা হাইস্কুলের পর রাজ্যের আবার অন্য কোনও স্কুলে হাজির হবে স্কুল কানেক্ট প্রোগ্রামের বিশেষ দল।

ব্লগ লেখক ....

সুপ্রিয় তরফদার