Thursday, May 23, 2019




জেনে তবেই পা বাড়াও 



পথ চলার আগে ভালো করে সেটা চিনে নেওয়াই উচিত। সেই কাজে পড়ুয়াদের সাহায্য করতে বদ্ধপরিকর মৌলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাকাউট)। তাই বিভিন্ন কলেজে সচেতনতা শিবির আয়োজিত হচ্ছেই। সেখানে যোগ দিচ্ছেন মাকাউটের বিভিন্ন প্রতিনিধি। সম্প্রতি মেদিনীপুরের তাম্রলিপ্ত ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট এবং টেকনোলজি আয়োজন করেছিল কেরিয়ার সচেনতনতার অনুষ্ঠান। সেখানে উপস্থিত হয়ে মাকাউটের প্রতিনিধিরা শোনালেন বিভিন্ন কোর্স সম্পর্কে নানা ধারনা এবং চাকরি পাওয়ায় নানা সম্ভাবনার কথা ।











মাকাউটের অধ্যাপক শিবময় দাসগুপ্ত জানান, নতুন যারা নানা ধরনের কোর্স করবেন  তাদের আগে ওই কোর্স সম্পর্কে জেনে নেওয়া উচিত। তার জন্য মাকাউটের যে কোনো অধ্যাপকের সঙ্গে সরাসরি কথা বলানো হতে পারে বলেও আশ্বাস দেন  তিনি।  এর ফলে যে কোনো প্রশ্ন থাকলে তারা অধ্যাপকের সঙ্গে কথা বলা যেতে পারেন। ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ওই কলেজের ছাত্রছাত্রীরা।  সঙ্গে ছিলেন এই বছর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দেওয়া বহু ছাত্রছাত্রী। অনেকেই প্রশ্ন করেন বিভিন্ন কোর্স নিয়ে। মূলত, বিবিএ, বিবিএ ইন হসপিটাল  ম্যানেজমেন্ট, বিসিএ এবং বিএসসি ইন বায়োটেকনোলজি নিয়ে আলোচনা হয়. মাকাউটের উপাচার্য সৈকত মৈত্রের নানা পরামর্শ ছাত্রছাত্রীদের সামনে তুলে ধরা হয়. 


Wednesday, May 15, 2019


শিলিগুড়ির এডুকেশন ফেয়ারে মাকাউট,
পড়ুয়াদের কোর্স ও জীবিকার দিশা দেখালেন কর্তারা 


শিলিুগুড়ির সিটি সেন্টারে অনুষ্ঠান 
সম্প্রতি 11 এবং 12 মে শিলিগুড়ির সায়েন্স সিটিতে দুদিনের এডুকেশন সেমিনার ও ফেয়ারে অংশ নিয়েছিল বেশ কয়েকটি কলেজ ও মৌলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পশ্চিমবঙ্গ (মাকাউট). সেখানে পড়ুয়া ও তাঁদের অভিভাবকদের বিভিন্ন পেশাগত কোর্স সম্পর্কে সচেতন করা হয়. বিভিন্ন নাচ গান ও বেহালা বাজিয়ে অনুষ্ঠান শুরু করে ছাত্রছাত্রীরা. ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন  মাকাউটের উপাচার্য অধ্যাপক সৈকত মৈত্র.


উপাচার্য সৈকত মৈত্র

উপাচার্য ছাত্রছাত্রীদের জানান, সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে কোর্স ও কোর্সের চাহিদারও পরিবর্তন হচ্ছে. ফলে পাল্টে যাচ্ছে চাকরির চাহিদার প্রকৃতিও. তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগোতে হবে বলে পরামর্শ দেন তিনি.



উপাচার্য জানান, ভারতে এবং এ রাজ্যে প্রচুর পরিমাণে ফল ও শাকসব্জি পাওয়া যায়. সেগুলিকে কী ভাবে বিদেশে রপ্তানি করা যায় তার জন্যও পড়াশোনা প্রযোজন বলে জানান তিনি. এরপরে ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন তিনি.


পড়ুয়ার মুখোমুখি উপাচার্য
মাকাউটের স্টল




Thursday, May 2, 2019

যুবসম্প্রদায় অনেক বেশি ডিজিটালি স্মার্ট ,সঠিক পরামৰ্শ পেলে তারা অসাধ্য সাধন করতে পারে :উপাচার্য সৈকত মৈত্র 






যুব সম্প্রদায় ডিজিটাল যুগে জন্মগ্রহন করেছে। তারা আমাদের থেকে অনেক বেশি ডিজিটালি স্মার্ট। শুধু সঠিক পরামর্শ প্রয়োজন।  তাহলে তারা অনেক কিছু অসাধ্য সাধন করতে পারে। সম্প্রতি আইলিড কলেজে বিভিন্ন স্কুলের কর্তা এবং  শিক্ষক  শিক্ষিকাদের সঙ্গে এক আলোচনায় (স্কুল কানেক্ট) এ ভাবেই যুব সম্প্রদায়ের ওপর আস্থা দেখান মৌলানা  আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সৈকত মৈত্র।



এ দিনের স্কুল কানেক্ট অনুষ্ঠানে অধ্যাপক মৈত্র জানান, প্রযুক্তি যে ভাবে অগ্রসর হচ্ছে তার ফলে প্রতিদিনই নতুন কিছু আবিষ্কারের প্রয়োজন হয়ে পড়ে। যুব সম্প্রদায় এবং আগামী প্রজন্মের মধ্যে সেই সম্মস্ত সম্ভাবনা রয়েছে এবং থাকবেও। শুধু মাত্র সঠিক গাইড এর প্রয়োজন। ওরা নিজে থেকেই সব কিছু করতে পারবে। তিনি স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকাদের পরামর্শ দেন ছাত্রছাত্রীদের সমস্ত কাজকে উৎসাহ দিতে হবে. সমস্ত কাজকেই সাদরে গ্রহণ করতে হবে. ছোট ছোট কাজের মধ্যেই বড় কোনো সম্ভাবনা লুকিয়ে থাকে। এর মধ্যেই সুখবর শোনান তিনি। বাইরের বিভিন্ন রাজ্য যখন একাধিক কোর্স বন্ধ করে দিচ্ছে তখন এ রাজ্যে একের পর এক নতুন কোর্স চালু করছে মাকাউট। এর ফলে প্রমাণিত সত্য যে কোর্সের চাহিদা বাড়ছে। তাই নব প্রজন্মকে শুধুমাত্র পথ বেছে নিতে সাহায্য করতে হবে.

তবে তিনিও জানান যে স্কুল ও কলেজের মধ্যে যে দূরত্ব রয়েছে সেটা মেটাতে হবে. আজকের স্কুল পড়ুয়াই আগামী দিনে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া হবে. তাই তার সম্ভাবনাগুলোকে ছোট বয়সেই বিকশিত করার সুযোগ দিতে হবে. উচ্চ শিক্ষার  ভিত গড়তে হবে আগেই। তাঁর মতে, এই ভারতে এবং এই রাজ্যে সমস্ত উপাদান রয়েছে। শুধু সেগুলিকে প্রকাশ্যে এনে কাজে লাগাতে হবে. নতুন নতুন কাজ তৈরী করতে হবে. না হলে যে ভাবে সময় এগোচ্ছে এবং প্রযুক্তির উদ্ভাবন হচ্ছে তাতে কাজের ধরন প্রতিনিয়ত বদলাচ্ছে। কাজ হারানোর আশঙ্কা থাকতে পারে। কিন্তু নতুন উদ্ভাবন হতে থাকলে কোনো দিন কাজের অভাব হবে না. এ ভাবে আগামী দিনগুলিকে আরও সুরক্ষিত করা যেতে পারে বলে পরামর্শ দেন তিনি। 



প্রযুক্তির উদ্ভাবনের সঙ্গে সঙ্গে মহিলাদের কাজের সুযোগ আরো বাড়ছে বলে জানান তিনি। এ ক্ষেত্রে উল্লেখ্য, বেশ কয়েক বছর ধরেই মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে ছাত্রীদের সংখ্যা অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে। এভাবেই ছাত্রীদের কাজের সুযোগও তৈরী হচ্ছে বলে জানান তিনি। গুগুল থেকেও এই মহিলা কর্মীর বিষয়ে রাজ্যের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।