Tuesday, August 20, 2019


প্রযুক্তির  সাফল্যে বদ্ধপরিকর মাকাউট, ব্রিটিশ
ডেপুটি হাই-কমিশনারের সামনে বললেন উপাচার্য




৬ আগস্টের সেই অনুষ্ঠান 

 প্রযুক্তিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে গেলে সর্বপ্রথম কাজটি করতে হয় পাঠ্য পুস্তকে। সেখানে কার্যত বিপ্লব আনতে হয়। কারণ আগামী দিনের সমস্ত  সম্ভাবনা তৈরী হয় ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে থেকেই। তাই প্রথমেই সেই জায়গাটিকে পাখির চোখ করেছে পশ্চিমবঙ্গের মৌলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাকাউট)।

মঞ্চে বক্তব্য রাখছেন উপাচার্য অধ্যাপক সৈকত মৈত্র 

কয়েক সপ্তাহ আগেই কলকাতার এক পাঁচতারা হোটেলে পাবলিক রিলেশন্স সোসাইটি অব ইন্ডিয়া কলকাতা চ্যাপ্টার এর উদ্যোগে আয়োজিত ডিজিটাল মার্কেটিং ওয়ার্কশপ এক্সপোজিশন এবং অ্যাওয়ার্ডস সম্মেলনে বক্তা হিসেবে আমন্ত্রিত ছিলেন মাকাউটের উপাচার্য অধ্যাপক  সৈকত মৈত্র। এছাড়া ছিলেন কলকাতার ব্রিটিশ ডেপুটি হাই কমিশনার ব্রুশ বাকনেল, আইটি অ্যান্ড  ইলেক্ট্রনিক্স ডিপার্টমেন্ট, গভর্নমেন্ট অব ওয়েস্টবেঙ্গল এর অ্যাডিশনাল চিফ সেক্রেটারি দেবাশিস সেন , অ্যাডামাস বিশ্ববিদ্যালয় এর উপাচার্য এবং রাইস গ্রূপের চেয়ারম্যান প্রফেসর সমিত রায়।



বিশিষ্টদের  সঙ্গে উপাচার্য 
 সেখানেই অধ্যাপক সৈকত মৈত্র জানান প্রযুক্তিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে নতুন নতুন কোর্স চালু করা হয়েছে। যেগুলিতে ছাত্রছাত্রীরা বাড়তি উৎসাহ পাবে। পাশাপাশি রাজ্যে এবং গোটা দেশে প্রযুক্তির ব্যবহার আরও বাড়বে। প্রসঙ্গত এ বছর থেকেই বহু কোর্স মাকাউটের ক্যাম্পাসে শুরু হয়েছে। সেখানে ভর্তিও হয়েছেন অনেক ছাত্রছাত্রীরা। এভাবেই সমাজের প্ৰতিটি স্তরে প্রযুক্তিকে ছড়িয়ে দিতে চায় মাকাউট। পাশাপাশি নানা সামাজিক কাজের সঙ্গে ছাত্রছাত্রীদের যুক্ত করে মাকাউট নিরন্তর চেষ্টা করছে তাদের মধ্যে নতুন দেশ উন্নত গড়ার দেশ করার কাজে ব্রতী করতে।  



প্রযুক্তির আরো সাফল্যের চাবি কাঠি ছাত্রছাত্রীদের হাতেই 


প্রযুক্তির সাহায্যে গোটা পৃথিবীকে হাতের মুঠোয় আনবে আমাদের ছাত্রছাত্রীরা




Wednesday, August 14, 2019


পড়াশুনা পরে, আগে ভাল ভাবে জানতে হবে প্রযুক্তিকে


রামমোহন মিশন হাইস্কুলে প্রযুক্তির কোর্সের কর্মশালা



প্রযুক্তির হাত ধরে এগিয়ে যেতে হবে 


মাকাউটের হরিণঘাটা ক্যাম্পাস 

পড়ুয়াদের মুখোমখি মাকাউট  এর প্রতিনিধি 
হিন্দি সিনেমার থ্রি- ইডিয়টস সিনেমায় পরিচালক কেন্দ্রীয় চরিত্রের মাধ্যমে বারবার দেখিয়েছিলেন জ্ঞান যেখান থেকে পাওয়া যায় সেখান থেকেই তা সংগ্ৰহ করতে হয়. কলকাতার রামমোহন মিশন হয় স্কুলে গিয়েও যেন দেখা গেল তারই প্ৰতিচ্ছবি এমনকি কর্মশালার শুরুতে পরিচয় পর্বে স্কুলের প্রিন্সিপাল সুজয় বিশ্বাস পড়ুয়াদের স্মরণ করলেন সেই কথা. তারপরেই মৌলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বা মাকাউটের প্রতিনিধিরা শুরু করলেন কর্মশালা একঘেয়েমি থেকে মুক্ত হয়ে আনন্দের সঙ্গে সেই কর্মশালাটি পরিচালনার শেষে পড়ুয়ারা একসঙ্গে চিৎকার করে বলে উঠল, "গোটা কর্মশালায় একটুও বোর হলাম না. খুব আনন্দ পেলাম

 
রামমোহন মিশন স্কুলের প্রিন্সিপাল সুজয় বিশ্বাস ও মাকাউটের প্রতিনিধি 
গত ১৩ অগস্ট কলকাতার লেক গার্ডেন্সের রামমোহন মিশন হাইস্কুলে প্রায় শতাধিক পড়ুয়া এই কর্মশালায় যোগ দিয়েছিল ভাল করে বুঝে নেয় মাকাউট কি. কিভাবে সেখানে ভর্তি হওয়া যায়. রাজ্যে প্রযুক্তি নিয়ে পড়াশুনা করার জন্য কতগুলি কলেজ রয়েছে সেগুলির অবস্থান কোথায় কোথায় তার সঙ্গে এটাও স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয় যে কোন কোর্সে ভবিষ্যতে কী পথ রয়েছে পড়ুয়ারা উৎসাহের সঙ্গেই সেই সম্পর্কে সমস্তটা বুঝে নেয়. মাকাউটের লিফলেট পেয়ে অনেকেই সেগুলি আগ্রহ ভরে দেখে


ইন্টেরিয়ার  ডিজাইন এর নমুনা  



রামমোহন মিশন হাই স্কুলের একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীর পড়ুয়ারা  
 কিন্তু এটা বলতেই হয় যে সাম্প্রতিক বেশ কয়েকটি বিষয় নিয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছিল প্রায় সব কটি উত্তর তারা দিতে পেরেছে. এর থেকে একটা জিনিস পরিষ্কার যে বর্তমান সমস্ত কিছুতেই নজর রাখছে ভবিষ্যতের এই প্রজন্ম এই সমস্ত পড়ুয়ারা কে কোন বিষয় নিয়ে পড়াশুনা করবে সেটা একান্তই তাদের বিষয়, কিন্তু সমাজের কাছে যে তারা অপরিহার্য সেটা বোঝা যায় স্বল্প সময়ের এই কর্মশালা থেকেই

ইন্টেরিয়র ডিজাইন, ইন্টারনেট অব থিংস, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, রোবোটিক্স এর মত বিভিন্ন কোর্স সম্পর্কে হালকা হলেও মোটামুটি ধারণা তাদের রয়েছে যেটা দেখে খুশি না হয়ে থাকা যায় না. প্রযুক্তির কোর্সের বিষয়ে এই জানার আগ্রহ থেকেই পরিষ্কার আগামী দিনে এই সমস্ত পড়ুয়ারা সমাজে কোনো ইতিবাচক ভূমিকা নিতে চলেছে





দেশের আগামী দিনের এই প্রজন্মকে দিশা দেখতে এবং সাহায্যের জন্য মাকাউট সদা প্রস্তুত

ভিডিও গেম সহ প্রযুক্তির নানা কোর্সে  
উৎসাহী কল্যাণীর আইডিয়াল স্কুলের পড়ুয়ারা 



স্কুল কানেক্ট প্রোগ্রামে বক্তব্য রাখছেন মাকাউটের প্রতিনিধি 
ক্লাসরুমের মেঝেতে বসে নবম, দশম  ও একাদশ শ্রেণীর পড়ুয়ারা। প্রযুক্তি সম্পর্কিত নানা কোর্সের ডালি নিয়ে সেখানে যে হাজির হয়েছেন মৌলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাকাউট) স্কুল কানেক্ট প্রোগ্রামের প্রতিনিধিরা। পাওয়্যার পয়েন্টে যখন একের পর এক স্লাইড পরিবর্তন করা হচ্ছে তখন সেখানে ফুটে উঠছে নানা কোর্সের নাম. কিন্তু গেমিং এবং মোবাইল সম্পর্কিত কোর্স দেখেই বাড়তি উৎসাহ দেখা যায় পড়ুয়াদের মধ্যে। এর পর এক একটি কোর্স সম্পর্কে বিশদে জানার আগ্রহ দেখেই বোঝা যায় তাদের মধ্যে  বাড়তি উদ্দীপনা তৈরী হচ্ছে। 


সকলেই যে প্রযুক্তি কোর্স সম্পর্কে সমান ভাবে অবগত, সেটা মোটেই নয়. কিন্তু প্রতিটি কোর্সের সম্পর্কে বিশদে জেনে তাদের মধ্যে আগ্রহ তৈরী হচ্ছে,  কথায় বলে নিজেকে কোনও বিষয়ে যত বেশি সংযুক্ত করা যায় সেই বিষয়ে তত বেশি করে মনে প্রশ্ন জাগে সে কারণেই স্কুল কানেক্টের এই প্রোগ্রামের শুরুতে আমরা আশা করি পড়ুয়াদের থেকে যত বেশি প্রশ্ন আসে ততই ভাল. সেই দিক থেকে এই স্কুলের পড়ুয়াদের ব্যবহার বেশ মনে দাগ কেটেছে প্রতিটি কোর্স নিয়ে তো বটেই, কোন কোর্স কত রকমের সম্ভাবনা, কোন কোর্স কি ধরনের স্টাডি মেটেরিয়াল রয়েছে সমস্ত কিছুই খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে প্রশ্ন করে.



মনযোগী পড়ুয়া











পড়ুয়া তো সরাসরি উঠে প্রশ্ন করে, গেমিং এপ্লিকেশন ডেভলপমেন্ট  নিয়ে পড়াশোনা করলে নতুন করে কোনও গেম তৈরী করা যায় কিনা. ফরেনসিক নিয়ে যে কোনও কোর্স রয়েছে সেটা জেনেও একের পর এক প্রশ্ন করে তারা হরিণঘাটায় এত বিশাল ক্যাম্পাস দেখেও খুশি ওই পড়ুয়ারা জীবনের পরবর্তী লক্ষ্যে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে এই কর্মশালা যথেষ্ট কার্যকরী বলে মেনেছেন স্কুক কর্তৃপক্ষও 






শেষে এটা বলাই যায় প্রযুক্তির এই দুনিয়ায় ওই সমস্ত মেধাকে কাজে লাগিয়ে কী ভাবে রাজ্যকে এবং দেশকে আরও এগিয়ে নিয়ে জন্য যায় সেই লক্ষ্যেই এগিয়ে যাচ্ছে মাকাউট    






দেশের ভবিষ্যৎ