Friday, August 30, 2019



স্কুল কানেক্ট ও ইন্ডাকশন প্রোগ্রাম


জীবনের অট্টালিকা প্রস্তুত হয়। স্কুল নামক ভিদের ওপর দাঁড়িয়ে। দেশের সমস্ত সম্ভাবনা লুকিয়ে থাকে স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের মধ্যেই। সেই ছাত্রছাত্রীদের উন্নত প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত করতে উদ্যোগী হয়েছে মৌলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। আজকের সামান্য ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে থেকে অসামান্য প্রতিভাকে খুঁজে বের করতে শুরু হয়েছে স্কুল কানেক্ট এবং স্কুল ইন্ডাকশন প্রোগ্রাম। এবার তাদের জন্য এই প্রোগ্রাম নিয়ে কলম ধরলেন মাকাউটের উপদেষ্টা এবং স্কুল কানেক্ট প্রোগ্রামের আহ্বায়ক অধ্যাপক শুভব্রত রায়চৌধুরী।
অধ্যাপক শুভব্রত রায়চৌধুরী 


 বিটেক এবং প্রযুক্তিগত বিএসসি স্নাতক স্তরের কোর্স। স্কুলের গন্ডি পার করে তারপরে এই স্তরে আসতে হয়। তার জন্য আগে থেকেই মানসিক প্রস্তুতির প্রয়োজন। প্রযুক্তি কোর্সের সম্পর্কে ভাল লাগা এবং ভালবাসার সম্পর্ক তৈরী করতে হবে. সে কারনে এ রাজ্যের বিভিন্ন স্কুলগুলিতে গিয়ে পড়ুয়াদের সঙ্গে কথা বলছেন আমাদের প্রতিনিধিরা। মাকাউটের মাননীয় উপাচার্যের পরামর্শে স্কুল কানেক্ট প্রোগ্রামে নতুন নতুন পদক্ষেপ করা হয়েছে। প্রযুক্তির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবে পড়ুয়ারা।

যাদবপুর বিদ্যাপীঠের ছাত্রছাত্রীরা 


যেমন, ধরা যাক রোবোটিক্স নিয়ে একদল পড়ুয়ার মধ্যে বক্তব্যের প্রতিযোগিতা হল।  কেউ আবার আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স নিয়ে বলতে চায়. সেই সুযোগ পাবে পড়ুয়ারা। প্রতিযোগিতার শেষে প্রথম তিন স্থানাধিকারীকে পুরস্কৃত করা হবে। পাশাপাশি দেওয়া হবে শংসাপত্রও। রাজ্যের যে কোনো স্কুলে পৌঁছে যাচ্ছে ওই প্রতিনিধি দল। একেবারে বিনামূল্যে কেরিয়ার কাউন্সেলিং এর সুযোগ পাচ্ছে পড়ুয়ারা।

ভবিষ্যৎকে আরও দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতে গেলে প্রতি মুহূর্তে প্রযুক্তির আরও উন্নতির প্রয়োজন। সেই কাজে যুক্ত হতে হবে এই তরুণ সমাজকে। চিকিৎসা ব্যবস্থা থেকে শুরু করে শিক্ষা, ব্যবসা থেকে শুরু করে চাকরি সর্বত্রই প্রযুক্তির প্রয়োজন। দুনিয়া যত বেশি করে পরিবর্তিত হচ্ছে ততই চাহিদা বাড়ছে প্রত্যেকের। সেই তাগিদে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে প্রযুক্তির ব্যবহার। প্রযুক্তি ছাড়া কার্যত আমরা অচল। তাই ছাত্রছাত্রীদের সেই ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করতে এই উদ্যোগ। 





Thursday, August 29, 2019


ডিজিটাল মার্কেটিং ডিপ্লোমা কোর্স  করে চাকরির সুলুক সন্ধান,

মাকাউট হাত ধরল ইংল্যান্ডের কেমব্রিজ মার্কেটিং কলেজের

   

সল্টলেকের সেক্টর ফাইভে ডিজিটাল মার্কেটিং ডিপ্লোমা কোর্সের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন ব্রিটিশ ডেপুটি হাই কমিশনার (কলকাতা) মাননীয় ব্রুশ বাকনেল। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন মৌলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাকাউট)-এর মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক সৈকত মৈত্র। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন ভারতের জন্য কেমব্রিজ মার্কেটিং কলেজের প্রতিনিধি অধ্যাপক নন্দন সেনগুপ্ত, মাকাউটের রেজিস্ট্রার পার্থপ্রতিম লাহিড়ী সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও অধ্যাপক এবং শিক্ষা কর্মীরা। 

বক্তব্য রাখছেন উপাচার্য 
  ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিশিষ্টরা জানান ইংল্যান্ডের এই কলেজ ভারতে এই প্রথম কোনো মার্কেটিং এর কোর্স চালু করছেন। এবং সেটাও কলকাতায়। অধ্যাপক নন্দন সেনগুপ্ত জানান তিনি আশা করছেন কলকাতায় এই কোর্সের জনপ্রিয়তা হবে এবং পড়ুয়াদের নিজেদের কেরিয়ারের পথ সুগম করতে সাহায্য করবে। 



উপাচার্য সৈকত মৈত্র জানান,  অর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর জন্য বহু প্রথাগত চাকরি বিলুপ্ত হচ্ছে। কিন্তু এই ধরনের ডিজিটাল মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে হচ্ছে ঠিক তার উল্টো।  তিনি জানান, প্রায় ৮ লক্ষ চাকরির সুযোগ তৈরী হয়েছে।  কিন্তু সেই তুলনায় কর্মীর যোগান অনেক কম।  সেই কারণেই এই রাস্তায় কেরিয়ার তৈরির সুযোগ অনেক বেশি।  এই কোর্স করে সকলেই নিজেদের যোগ্যতা তৈরী করে নিতে পারেন। 

তিনি আরও জানান, বেকার সমস্যা মেটাতেও এক বছরের এই কোর্স ইতিবাচক ভূমিকা নেবে। এখানে কিছু মহিলারা নানা কাজে বাইরে বের হতে পারেন না।  তাঁরা এই সমস্ত কোর্স করে নিজে থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। এর ফলে একদিকে যেমন মহিলারা স্বাবলম্বী হতে পারবেন পাশাপাশি নিজেদের কেরিয়ারের পথটিও সুগম হবে। 

উপাচার্য এবং হাই-কমিশনার  এবং অন্যান্যরা 

রেজিস্ট্রারের সঙ্গে অধ্যাপক নন্দন সেনগুপ্ত  এবং অন্যান্যরা  
 উপাচার্য আশ্বাস দেন , মাকাউট এর সঙ্গে কেমব্রিজ মার্কেটিং কলেজের এই যোগ এই কোর্স করা পড়ুয়াদের বাড়তি দিশা দেখতে সাহায্য করবে। পাশাপাশি পড়ুয়াদের  নিজেদেরকে চাকরি যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতেও মাকাউট সজাগ থাকবে। ভবিষ্যতের চলার পথে সঙ্গে থাকবে মাকাউট। ব্রিটিশ ডেপুটি হাই কমিশনার (কলকাতা) মাননীয় ব্রুশ বাকনেলও এই কোর্স নিয়ে আশাবাদী। 



Tuesday, August 20, 2019


প্রযুক্তির  সাফল্যে বদ্ধপরিকর মাকাউট, ব্রিটিশ
ডেপুটি হাই-কমিশনারের সামনে বললেন উপাচার্য




৬ আগস্টের সেই অনুষ্ঠান 

 প্রযুক্তিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে গেলে সর্বপ্রথম কাজটি করতে হয় পাঠ্য পুস্তকে। সেখানে কার্যত বিপ্লব আনতে হয়। কারণ আগামী দিনের সমস্ত  সম্ভাবনা তৈরী হয় ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে থেকেই। তাই প্রথমেই সেই জায়গাটিকে পাখির চোখ করেছে পশ্চিমবঙ্গের মৌলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাকাউট)।

মঞ্চে বক্তব্য রাখছেন উপাচার্য অধ্যাপক সৈকত মৈত্র 

কয়েক সপ্তাহ আগেই কলকাতার এক পাঁচতারা হোটেলে পাবলিক রিলেশন্স সোসাইটি অব ইন্ডিয়া কলকাতা চ্যাপ্টার এর উদ্যোগে আয়োজিত ডিজিটাল মার্কেটিং ওয়ার্কশপ এক্সপোজিশন এবং অ্যাওয়ার্ডস সম্মেলনে বক্তা হিসেবে আমন্ত্রিত ছিলেন মাকাউটের উপাচার্য অধ্যাপক  সৈকত মৈত্র। এছাড়া ছিলেন কলকাতার ব্রিটিশ ডেপুটি হাই কমিশনার ব্রুশ বাকনেল, আইটি অ্যান্ড  ইলেক্ট্রনিক্স ডিপার্টমেন্ট, গভর্নমেন্ট অব ওয়েস্টবেঙ্গল এর অ্যাডিশনাল চিফ সেক্রেটারি দেবাশিস সেন , অ্যাডামাস বিশ্ববিদ্যালয় এর উপাচার্য এবং রাইস গ্রূপের চেয়ারম্যান প্রফেসর সমিত রায়।



বিশিষ্টদের  সঙ্গে উপাচার্য 
 সেখানেই অধ্যাপক সৈকত মৈত্র জানান প্রযুক্তিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে নতুন নতুন কোর্স চালু করা হয়েছে। যেগুলিতে ছাত্রছাত্রীরা বাড়তি উৎসাহ পাবে। পাশাপাশি রাজ্যে এবং গোটা দেশে প্রযুক্তির ব্যবহার আরও বাড়বে। প্রসঙ্গত এ বছর থেকেই বহু কোর্স মাকাউটের ক্যাম্পাসে শুরু হয়েছে। সেখানে ভর্তিও হয়েছেন অনেক ছাত্রছাত্রীরা। এভাবেই সমাজের প্ৰতিটি স্তরে প্রযুক্তিকে ছড়িয়ে দিতে চায় মাকাউট। পাশাপাশি নানা সামাজিক কাজের সঙ্গে ছাত্রছাত্রীদের যুক্ত করে মাকাউট নিরন্তর চেষ্টা করছে তাদের মধ্যে নতুন দেশ উন্নত গড়ার দেশ করার কাজে ব্রতী করতে।  



প্রযুক্তির আরো সাফল্যের চাবি কাঠি ছাত্রছাত্রীদের হাতেই 


প্রযুক্তির সাহায্যে গোটা পৃথিবীকে হাতের মুঠোয় আনবে আমাদের ছাত্রছাত্রীরা




Wednesday, August 14, 2019


পড়াশুনা পরে, আগে ভাল ভাবে জানতে হবে প্রযুক্তিকে


রামমোহন মিশন হাইস্কুলে প্রযুক্তির কোর্সের কর্মশালা



প্রযুক্তির হাত ধরে এগিয়ে যেতে হবে 


মাকাউটের হরিণঘাটা ক্যাম্পাস 

পড়ুয়াদের মুখোমখি মাকাউট  এর প্রতিনিধি 
হিন্দি সিনেমার থ্রি- ইডিয়টস সিনেমায় পরিচালক কেন্দ্রীয় চরিত্রের মাধ্যমে বারবার দেখিয়েছিলেন জ্ঞান যেখান থেকে পাওয়া যায় সেখান থেকেই তা সংগ্ৰহ করতে হয়. কলকাতার রামমোহন মিশন হয় স্কুলে গিয়েও যেন দেখা গেল তারই প্ৰতিচ্ছবি এমনকি কর্মশালার শুরুতে পরিচয় পর্বে স্কুলের প্রিন্সিপাল সুজয় বিশ্বাস পড়ুয়াদের স্মরণ করলেন সেই কথা. তারপরেই মৌলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বা মাকাউটের প্রতিনিধিরা শুরু করলেন কর্মশালা একঘেয়েমি থেকে মুক্ত হয়ে আনন্দের সঙ্গে সেই কর্মশালাটি পরিচালনার শেষে পড়ুয়ারা একসঙ্গে চিৎকার করে বলে উঠল, "গোটা কর্মশালায় একটুও বোর হলাম না. খুব আনন্দ পেলাম

 
রামমোহন মিশন স্কুলের প্রিন্সিপাল সুজয় বিশ্বাস ও মাকাউটের প্রতিনিধি 
গত ১৩ অগস্ট কলকাতার লেক গার্ডেন্সের রামমোহন মিশন হাইস্কুলে প্রায় শতাধিক পড়ুয়া এই কর্মশালায় যোগ দিয়েছিল ভাল করে বুঝে নেয় মাকাউট কি. কিভাবে সেখানে ভর্তি হওয়া যায়. রাজ্যে প্রযুক্তি নিয়ে পড়াশুনা করার জন্য কতগুলি কলেজ রয়েছে সেগুলির অবস্থান কোথায় কোথায় তার সঙ্গে এটাও স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয় যে কোন কোর্সে ভবিষ্যতে কী পথ রয়েছে পড়ুয়ারা উৎসাহের সঙ্গেই সেই সম্পর্কে সমস্তটা বুঝে নেয়. মাকাউটের লিফলেট পেয়ে অনেকেই সেগুলি আগ্রহ ভরে দেখে


ইন্টেরিয়ার  ডিজাইন এর নমুনা  



রামমোহন মিশন হাই স্কুলের একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীর পড়ুয়ারা  
 কিন্তু এটা বলতেই হয় যে সাম্প্রতিক বেশ কয়েকটি বিষয় নিয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছিল প্রায় সব কটি উত্তর তারা দিতে পেরেছে. এর থেকে একটা জিনিস পরিষ্কার যে বর্তমান সমস্ত কিছুতেই নজর রাখছে ভবিষ্যতের এই প্রজন্ম এই সমস্ত পড়ুয়ারা কে কোন বিষয় নিয়ে পড়াশুনা করবে সেটা একান্তই তাদের বিষয়, কিন্তু সমাজের কাছে যে তারা অপরিহার্য সেটা বোঝা যায় স্বল্প সময়ের এই কর্মশালা থেকেই

ইন্টেরিয়র ডিজাইন, ইন্টারনেট অব থিংস, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, রোবোটিক্স এর মত বিভিন্ন কোর্স সম্পর্কে হালকা হলেও মোটামুটি ধারণা তাদের রয়েছে যেটা দেখে খুশি না হয়ে থাকা যায় না. প্রযুক্তির কোর্সের বিষয়ে এই জানার আগ্রহ থেকেই পরিষ্কার আগামী দিনে এই সমস্ত পড়ুয়ারা সমাজে কোনো ইতিবাচক ভূমিকা নিতে চলেছে





দেশের আগামী দিনের এই প্রজন্মকে দিশা দেখতে এবং সাহায্যের জন্য মাকাউট সদা প্রস্তুত