Friday, August 2, 2019

মহাত্মা গাঁধীর নীতি- আদর্শ  নিজের জীবনের
চলার পথের পাথেয় করার পরামর্শ দিলেন উপাচার্য



মহাত্মা গাঁধীর ছবিতে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন উপাচার্য সৈকত মৈত্র 

গোটা বছর ধরেই পালিত হচ্ছে জাতির জনক মহাত্মা গাঁধীর ১৫০ তম জন্মবার্ষিকী। সেই জন্ম সার্ধশতবর্ষকে সামনে রেখে  গত ৩০ জুলাই মৌলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাকাউট ) হরিণঘাটা ক্যাম্পাসে মহা সমারোহে পালিত হল নানা অনুষ্ঠান। সেখানে এই জাতির জনকের স্মৃতি রোমন্থন তো ছিলই , পাশাপাশি কি ভাবে তাঁর আদর্শগুলোকে নিজের জীবনের চলার পথের পাথেয় করা যায় তা নিয়েই চলল বিস্তর আলোচনা। উপাচার্য অধ্যাপক সৈকত মৈত্র  জানান, মহাত্মা বলতেন যে কোনও কাজ শুরু করে এবং সেটাকে শেষ পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া লক্ষ্য হওয়া উচিত। সে কথা মনে করিয়ে তিনি জানান,  যে কোনো কাজ শুরু করলেই হল না. সেটা যেন ঠিক ভাবে এগিয়ে চলে সেটা দেখতে হবে. 

মহাত্মা ও নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু 

বক্তব্য রাখছেন উপাচার্য 
পাশাপাশি নিজের লক্ষ্য সম্পর্কে সৈকত মৈত্র জানান, মহাত্মা গাঁধী বলতেন তুমি তোমার লক্ষ্যে  কোন পথে যাচ্ছি সেটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। ফলে সকলকে খেয়াল রাখতে হবে আমাদের চলার পথ কেমন। ওই মহৎ মানুষের আদর্শকে নিজেদের জীবনের চলার পথের পাথেয় করতে হবে হবে জানান উপাচার্য। 







সংগ্রহশালা উদ্বোধন করছেন উপাচার্য সৈকত মৈত্র। সঙ্গে রয়েছেন রেজিস্ট্রার পার্থপ্রতিম লাহিড়ী 
এই লক্ষ্যে সকলের মধ্যে মহাত্মা গাঁধীকে জানা এবং তার সমস্ত নীতি আদর্শের সঙ্গে পরিচয় করানোর জন্য স্কুল ছাত্র - ছাত্রীদের মধ্যে  একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করার কথা বলেন তিনি. একই ভাবে মাকাউটের কর্মীদের মধ্যেও 'গাঁধীআদর্শ' ও 'গাঁধীগিরির' ভাবধারা প্ৰচারের জন্য উদ্যোগী হচ্ছে মাকাউট। দ্রুত সেটা বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশিত হবে বলেও জানান তিনি। শুধু ছবিতে মালা দিয়ে তাঁর আদর্শ পালন সম্ভব নয়, সে জন্য নিজের মন কে সেই ভাবধারা গ্রহণের জন্য প্রস্তুত করতে বলেন উপাচার্য। 

চরকায় সুতো কাটতে ব্যস্ত মহাত্মা 









এক ফ্রেমে মহাত্মা গাঁধী এবং কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর






এই উপলক্ষ্যে ক্যাম্পাসে একটি সংগ্রহশালাও করা হয়েছে। সেটা ঘুরে দেখেন তিনি। এর পরে কুইজ কন্টেস্ট হয়.
মহাত্মা গাঁধীর জীবনের নানা তথ্য থাকার সম্বলিত পুস্তক দেখছেন উপাচার্য। পাশেই রয়েছে সুতো কাটার মেশিনের এক নমুনা।  







অন্তিম যাত্রায় মহাত্মা।  কিন্তু তিনি আজও  জীবিত আমাদের মধ্যে। 








No comments:

Post a Comment