মঙ্গলবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২০

পঞ্চম স্থানে পৌঁছে গেল মৌলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়



 

সোশ্যাল মিডিয়া এবং অনলাইনে সক্রিয় থাকায় পঞ্চম স্থানে 

পৌঁছে গেল মৌলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়



মৌলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়


বেসরকারি আন্তর্জাতিক সংস্থার বিচারে সোশ্যাল মিডিয়া এবং অনলাইনের কার্যকারিতায় পঞ্চম স্থানে  পৌঁছে গেল মৌলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। সম্প্রতি uni Rank নামের যে সংস্থা তালিকা প্রকাশ করেছে সেখানে এই রাজ্যের মধ্যে সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে ম্যাকাউট ৫ নম্বর স্থানে রয়েছে।  বিভিন্ন সংবাদপত্রে সেই খবরের উল্লেখ হয়েছে।
ফেসবুক, টুইটার , ইউটিউব এবং ব্লগে ম্যাকাউটের সদর্থক ভূমিকা এই রিপোর্টে উঠে এসেছে।    

মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক সৈকত মৈত্র জানান, "এই অতিমারীর সময়েও আমরা সব সময় চেষ্টা করেছি সোশ্যাল মিডিয়ায় এবং অনলাইনে পঠনপাঠনের সমস্ত কিছু প্রক্রিয়া স্বভাবিক ভাবে চালু রাখতে। সকলের সহযোগিতায় সেটা আমরা করতে পেরেছি। পড়ুয়াদের সুবিধা হয়েছে. এটাই আনন্দের।"

বর্তমান পত্রিকা 

 

শুক্রবার, ২০ নভেম্বর, ২০২০

রাজ্য স্তরের অনলাইন প্রবন্ধ প্রতিযোগিতা, ২০২০

রাজ্য স্তরের অনলাইন প্রবন্ধ প্রতিযোগিতা, ২০২০


মৌলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়,পশ্চিমবঙ্গ (ম্যাকাউট)- এর স্কুল কানেক্ট প্রোগ্রামের একটি কর্মসূচি

আরও আবেদন আসতে থাকায়, চাহিদা ক্রমশ বাড়ছে তাই সময়সীমা বৃদ্ধি করা হল।

প্রবন্ধ পাঠানোর শেষ তারিখ: ২৫ ডিসেম্বর, ২০২০. রাত ১২টা পর্যন্ত প্রবন্ধ পাঠানো যাবে। 


সদ্য শেষ হয়েছে স্কুল পড়ুয়াদের রাজ্য স্তরের অনলাইন কুইজ প্রতিযোগিতা। মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক সৈকত মৈত্র মহাশয়ের পরামর্শে এবার তাদের জন্য অনলাইনে রাজ্য স্তরের প্রবন্ধ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হল। মাননীয় উপাচার্য মহাশয় জানিয়েছেন, স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যে যে নিজস্ব সত্ত্বা রয়েছে এই সমস্ত কাজের মাধ্যমে সেগুলি প্রকাশের সুযোগ করতে হবে। তাই শুধু কুইজ বা প্রবন্ধ নয় বিভিন্ন প্রতিযোগিতা আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।  সময় মত সমস্মত কিছু জানানো হবে।  বিস্তারিত নিয়মাবলী নিচে দেওয়া হল।  

ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর পড়ুয়ারা  এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবে .  রাজ্যের বিভিন্ন স্কুল থেকে প্রচুর  সংখ্যক পড়ুয়ারা এতে যোগ দিচ্ছেন। প্রত্যেক অংশগ্রহণকারীকে ম্যাকাউটের তরফ থেকে শংসাপত্র দেওয়া হবে।  প্রথম, দ্বিতীয় তৃতীয় স্থানাধিকারীকে দেওয়া হবে বিশেষ অভ্যর্থনা।  তাদের ছবি প্রকাশ করা হবে ম্যাকাউটের ফেসবুক পেজে এবং ব্লগে। কোভিড পরিস্থিতির পরিবর্তনের পরে ম্যাকাউটের হরিণঘাটা ক্যাম্পাসে বিশেষভাবে অভ্যর্থনা জানানো হবে তাদের।  

 

মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক সৈকত মৈত্র মহাশয়


নিয়মাবলী :

১। বাড়িতে বসেই অনলাইনে প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবে স্কুল পড়ুয়ারা. অনধিক ৫০০ শব্দের মধ্যে প্রবন্ধ লিখে পাঠিয়ে দাও……..

 ২। প্রবন্ধ বাংলায় লিখলে কেউ কোনও ওয়ার্ড ফাইল পাঠাবে না। খাতায় সুন্দর ভাবে লিখে ছবি তুলে পাঠাতে পারো। প্রবন্ধ ইংরাজিতে লিখলে সরাসরি ওয়ার্ড ফাইল পাঠিয়ে দাও । পিডিএফ ফাইল পাঠানো যেতে পারে।

৩। প্রবন্ধের প্রতিটি পাতায় উল্লেখ থাকতে হবে :

প্রতিযোগীর নাম-

 স্কুলের নাম-

ফোন নম্বর-

শ্রেণী -

বিদ্যালয়ের যে কোনও পরিচয়পত্র- 

প্রবন্ধ পাঠানোর শেষ তারিখ : ২৫ ডিসেম্বর, ২০২০

ফলাফল ঘোষণার তারিখ জানতে চোখ রাখুন ম্যাকাউটের অফিসিয়াল ব্লগ এবং ফেসবুক পেজে 

মৌলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়,পশ্চিমবঙ্গ (ম্যাকাউট)


শ্রেণি অনুসারে প্রবন্ধ: 


প্রথম বিভাগ - ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি (যে কোনও একটি) Catagory -1

. নারীর ক্ষমতায়ন

. রোবটের দুনিয়া

. প্রকৃতির বিলুপ্ত পাখিরা

প্রবন্ধ পাঠানোর নম্বর  -- ৯৬০৯৪১২২৭৩ অথবা ৮৭৭৭৮৯৫৬০৬

 দ্বিতীয় বিভাগ - নবম   দশম শ্রেণি (যে কোনও একটি) category -2 

. যেখানে যাওয়ার ইচ্ছা আছে, সেখানে যাওয়ার পথও রয়েছে

. জীবন ভাল রাখার প্রধান চাবিকাঠি হল হাসি  

. পৃথিবীর জলসঙ্কট সংরক্ষণের উপায়

প্রবন্ধ পাঠানোর নম্বর - ৯৮৩০৮৮৪০৮১

 তৃতীয় বিভাগ - একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (যে কোনও একটি) Category -3

১. শিক্ষায় প্রযুক্তির অবদান

২. শিল্পোদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা

৩. ভাল কাজ করতে সময় লাগে

প্রবন্ধ পাঠানোর নম্বর - ৮২৪০০৫৭৫৩৮ অথবা schoolconnectmakaut19@gmail.com

ঘোষণা : প্রবন্ধ নিজে থেকে লিখবে। অন্য কোনও জায়গায় প্রকাশিত প্রবন্ধের সঙ্গে বেশিরভাগ মিল খুঁজে পেলে সেই প্রবন্ধ বাতিল করা হতে পারে।


-----------------------------------------------------------------------------------------------------



 

 


মঙ্গলবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২০

বিশ্ব-বিজ্ঞানের শ্রেষ্ঠত্বের আসনে ম্যাকাউটের অধ্যাপক

 

বিশ্ব-বিজ্ঞানের শ্রেষ্ঠত্বের আসনে  

 ম্যাকাউটের অধ্যাপক  

 


মৌলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়


আমেরিকার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় সম্প্রতি একটি তালিকা প্রকাশ করেছে, যেখানে বিভিন্ন শাখায় বিশ্বের সর্বাধিক প্রশংসিত বিজ্ঞানীদের সেরা দুই শতাংশের উল্লেখ করা হয়েছে। .জন আইওনিডিসের নেতৃত্বে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞদের দ্বারা তৈরি হয়েছে এই বৃহৎ ডেটাবেস। বিজ্ঞানের সব ক্ষেত্র মিলিয়ে বিশ্বের সেরা প্রকাশিত স্বীকৃত গবেষণাপত্রের নিরিখে তৈরি হয়েছে স্ট্যানফোর্ডের তালিকা। গবেষণাপত্র যে-জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে, তার মান, গবেষণার মান এবং বার সেই গবেষণাপত্রেরসাইটেশনহয়েছে, তা দেখেই সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানীকে স্থান দেওয়া হয়েছে সেরার তালিকায়। সম্পূর্ণ তালিকায় প্রায় ,৫৯,৬৮৩ জন ব্যক্তি রয়েছেন, যার মধ্যে ভারতীয় বিজ্ঞানী রয়েছেন প্রায় দেড় হাজার। আর সব থেকে খুশির খবর সেই তালিকাতেই রয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মৌলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ম্যাকাউট) স্কুল অব কম্পিউটেশনাল সায়েন্সের ডিরেক্টর তথা কম্পিউটার সায়েন্স এবং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক দেবাশিস দে। 

অধ্যাপক দেবাশিস দে

এছাড়াও তিনি অস্ট্রেলিয়ার 'দ্য ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া'- অ্যাডজাঙ্কট রিসার্চ ফেলো।  তিনি আইইইই- সিনিয়র সদস্য। সিএসআইর আজীবন সদস্য হওয়ার পাশাপাশি অধ্যাপক দে ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন অফ রেডিও সায়েন্স-এর সদস্য। পাশাপাশি তিনি ম্যাকাউটের সেন্টার অব  মোবাইল ক্লাউড কম্পিউটিংকে উন্নীত করেছেন।  

   

অধ্যাপক দেবাশিস দে ২০০২ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.টেক অর্জন করেন এবং ২০০৫ সালে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে  পিএইচডি করেন (ইঞ্জিনিয়ারিং) ইউকে- স্কটল্যান্ডে হেরিওট-ওয়াট বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজ করার জন্য ভারত সরকারের বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিভাগ তাঁকে ভীষণ মর্যাদাপূর্ণ 'বয়েজ কাস্ট ফেলোশিপ' প্রদান করে।  তিনি 'দ্য ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া'-তে কাজ করার জন্য ২০০৮-২০০৯ সালে ডিইএসটি অস্ট্রেলিয়া দ্বারা 'এন্ডেভর ফেলোশিপ' পুরস্কার পেয়েছিলেন। তিনি ২০০৫ সালে নয়াদিল্লিতে এবং ২০১১ সালে বেলজিয়ামের ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন অফ রেডিও সায়েন্স থেকে তুরস্কের ইস্তাম্বুলে 'ইয়ং সায়েন্টিস্ট' পুরস্কার পেয়েছিলেন। তার গবেষণামূলক কাজের মধ্যে রয়েছে মোবাইল এজ কম্পিউটিং, ড্রোন টেকনোলজি, ন্যানোসেনসর, এআই ফর ক্লাউড এবং আইওটি। তিনি ৩০০ টিরও বেশি পিয়ার-পর্যালোচিত জার্নাল এবং ১০০ টি কনফারেন্স পেপারস প্রকাশ করেছেন। তিনি সিআরসি, স্প্রিংগার, নোভা, এলসেভিয়ারের ৮টি গবেষণার মনোগ্রাফ, ১২ টি বই, এবং পিয়ারসনে পাঁচটি পাঠ্যপুস্তক প্রকাশ করেছেন। তাঁর এইচ সূচক ২৮ এবং সাইটেশন ৪০০০।  তিনি জার্নাল আইইইই এসিসিইএসএসের একটি সহযোগী সম্পাদক এবং হাইব্রিড কম্পিউটেশনাল ইন্টেলিজেন্সের সম্পাদক।

 

সান ফ্রান্সিসকো বে এলাকায় অবস্থিত, স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়টি আবিষ্কার এবং প্রশিক্ষণের একটি অন্যতম স্থান। ১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত, স্ট্যানফোর্ডের শ্রেষ্ঠত্বের ক্ষেত্রগুলি গবেষণা , কলা এবং ক্রিড়া সহ সাতটি স্কুল। স্ট্যানফোর্ডের অধ্যাপক, কর্মী এবং শিক্ষার্থীরা উদ্ভাবন ও প্রয়োগের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে  স্বাস্থ্যের উন্নতি লক্ষ্য়ে কাজ করেন।

ধন্যবাদ

বুধবার, ১১ নভেম্বর, ২০২০

ভারতরত্ন মৌলানা আবুল কালাম আজাদ এর জন্মদিনে, তাঁর স্মরণে ম্যাকাউট

 

ভারতরত্ন মৌলানা আবুল কালাম আজাদ এর

জন্মদিনে, তাঁর স্মরণে ম্যাকাউট




দেশ স্বাধীন হয়েছে। কিন্তু সকলকে কীভাবে শিক্ষার আলোয় নিয়ে আসা যায়, কীভাবে দেশের প্রতিটি শিশুদের শিক্ষার এক সুতোয় বেঁধে ফেলা যায় সেটা নিয়ে প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে ছিলেন তিনি।

 উচ্চশিক্ষার জন্য এক অভিন্ন বোর্ড গঠন, পঞ্চাশের দশকে দাঁড়িয়ে তিনি উপলব্ধি করেছিলেন প্রযুক্তি শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা। সব মিলিয়ে আজ থেকে সত্তর বছর আগে শিক্ষার রূপরেখা তৈরী করেছিলেন যিনি, আজ ১১ নভেম্বর শিক্ষা জগতের সেই প্রাণপুরুষ স্বাধীন ভারতবর্ষের প্রথম কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী তথা স্বাধীনতা সংগ্রামী ভারতরত্ন মৌলানা আবুল কালাম আজাদ-এর জন্মদিন।

১৮৮৮ সালের আজকের দিনে স্বাধীন ভারতের শিক্ষার দিশারী এই মানুষের জন্ম হয়। এই শুভ দিনে জাতীয় শিক্ষা দিবসে মহান মানুষকে বিনম্র শ্রদ্ধা জানান মৌলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক সৈকত মৈত্র মহাশয় সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্ত শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী । 

মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক সৈকত মৈত্র মহাশয়

ম্যাকাউটের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক সৈকত মৈত্র মহাশয় বলেন , স্বাধীন ভারতের প্রথম শিক্ষামন্ত্রীর দেখানো পথে আমাদের সবাইকে চলতে হবে। সত্তর-আশি বছর আগেই শিক্ষা সম্পর্কে তাঁর যে উপলব্ধি ছিল তা অবিস্মরণীয়। স্কুলশিক্ষা এবং উচ্চশিক্ষার প্রতি তিনি সমান ভাবে যত্নবান হওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। প্রযুক্তিবিদ্যা যে কতটা প্রয়োজনীয় তিনি বহুকাল আগেই সেটা বলে গিয়েছেন। তাঁকে বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই।     

 



সেই উপলক্ষ্যে দিন সন্ধ্যায় অনলাইন কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে ম্যাকাউট। গত অক্টোবর থেকে চলে আসা অনলাইন কুইজ প্রতিযোগিতার একদম শেষ পর্যায়ে আমরা চলে এসেছি। সপ্তম অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রছাত্রীদের বিভাগের ফাইনাল আজ অনুষ্ঠিত হল।  সেখানে যোগ দিয়েছিল জন পড়ুয়া। নিউ ব্যারাকপুর কলোনি বয়েজ হাইস্কুলের অরিন্দম সাহা, যাদবপুর বিদ্যাপীঠের তৃণাঞ্জনা দত্ত দেবস্মিতা দাস , গয়েশপুর কিশলয় বিদ্যালয় হাইস্কুলের সাগ্নিল দত্ত, রাজলক্ষ্মী কন্যা বিদ্যাপীঠের দেবস্মিতা ভৌমিক এবং নিউ ইন্ট্রিগ্রেটেড গভর্নমেন্ট স্কুল ক্যানিং এর নবনীতা দাস। 

 

কুইজ কন্টেস্ট এর শুরুতেই ভারতরত্ন মৌলানা আবুল কালাম আজাদ সম্পর্কে পড়ুয়াদের জানান ম্যাকাউটের স্কুল কানেক্ট দলের আহ্বায়ক . শুভব্রত রায়চৌধুরী মহাশয়। ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে এবং আধুনিক শিক্ষায় এই প্রাণপুরুষের অবদান সম্পর্কে বলেন তিনি।

কুইজ মাস্টার তথা ম্যাকাউটের সহ নিবন্ধক অনুপ কুমার মুখোপাধ্যায় কুইজ পরিচালনা করেন .


...................................................................................................................................................................................

মাধ্যমিক - উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের সাহায্যে ম্যাকাউট

  ম্যাকাউটের বন্ধন মাধ্যমিক - উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের সাহায্যে ম্যাকাউট     আর মাস খানেক পরেই মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমি...