বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২০

'সাইবার সিকিওরিটি', পেশাগত জীবনের নিরাপদ মঞ্চ

'সাইবার সিকিওরিটি'

পেশাগত জীবনের নিরাপদ মঞ্চ

 



 ব্যবসা বা বাণিজ্যের সঙ্গে সুরক্ষা ও তথ্য গোপনীয়তা নামক দুটি শব্দ ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে ছিল আছে এবং থাকবেও। যে কোনও ব্যবসাকে সাফল্যের শিখরে নিয়ে যেতে চাইলে বা  প্রতিযোগিতায় টিকে  থাকতে গেলে অবশ্যই সাফল্যের চাবিকাঠি এবং কিছু তথ্যের গোপনীয়তা প্রয়োজন। অতীতে যে কোনও বাণিজ্য সংস্থার কয়েকজন মানুষের ওপরে সেই গুরু দায়িত্ব থাকত। কিন্তু সময় পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ডিজিটাল মাধ্যমে আমরা যত বেশি করে অগ্রসর হয়েছি ততই প্রযুক্তি নির্ভরতা বেড়েছে। তথ্য বা ডেটা সুরক্ষিত করার জন্যও বেছে নিয়েছি সাইবার দুনিয়াকে। আর এই সাইবার নিৰ্ভরতা বেড়ে যেতেই সেখানেও হানা দিতে শুরু করেছে বেশ কিছু শক্তি। সাইবার বিষয়ে অভিজ্ঞ দুষ্ট শক্তি। সেই অসাধু শক্তির থেকে ব্যবসার সমস্ত তথ্য সুরক্ষিত রাখাই এখন যে কোনও ব্যবসা বা বাণিজ্যের সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জ। তাই মৌলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (ম্যাকাউট ) শুরু হয়েছে সাইবার সিকিওরিটির স্নাতকের কোর্স . 


মৌলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়


 ম্যাকাউটের হরিণঘাটা ক্যাম্পাসে


বিএসসি আই টি (সাইবার সিকিওরিটি) কোর্সে ভর্তির জন্য ফর্ম পূরণ চলছে।

১০+ সমতুল্য কোনও পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগে পাশ করা পড়ুয়া  সিইটি- মাধ্যমে এই কোর্সে ভর্তি হতে পারবেন।

 

তিন বছরের কোর্স 

(৬ টি সেমেস্টার)

ম্যাকাউটের হরিণঘাটা ক্যাম্পাসে

কোর্স ফি লক্ষ ৩৩ হাজার ৩৫০ টাকা 

বিশদ তথ্য পেতে ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

https://makautwb.ac.in

অথবা ফোন করুন

8017669359 


ভালোর উল্টোদিকে যেমন খারাপ থাকে তেমনই, এই অসাধু চক্রের বিরুদ্ধে রয়েছে নতুন প্রজন্মের বুদ্ধি ও মেধা। আর তাকে কাজে লাগিয়েই এই অসাধু চক্রের পথকে বন্ধ করার চেষ্টা চলছে সর্বত্র। সেখানেই প্রয়োজন 'সাইবার সিকিওরিটি' সম্পর্কে দক্ষ তরুণ প্রজন্মকে। যাঁদের হাত ধরে অনায়াসেই রুখে দেওয়া যাবে অশুভ শক্তিকে। সর্বত্র ব্যবসা বাণিজ্যের সমস্ত তথ্য বাঁচানো সম্ভব হবে।

           

 

এই কারণেই সাইবার সিকিওরিটি সম্পর্কে দক্ষ ব্যক্তিদের নিজেদের জীবনকে সাজিয়ে নেওয়ার সময় এসেছে। পেশাগত দিক থেকেও এটা সকলের ক্ষেত্রে বেশ লাভজনক। তথ্যে প্রকাশ, ভারতের এক বাণিজ্য সংস্থা সংগঠন জানিয়েছে, ২০২০ সালের মধ্যে ভারতে প্রায় ১০ লক্ষ সাইবার সিকিওরিটি সম্পর্কে দক্ষ মানুষের প্রয়োজন পড়বে। তাঁদের কাছে পেশার একটা বড় সম্ভাবনা শুরু হবে। ওই সংস্থার এক কর্তা জানান, আমাদের দেশ ভারতবর্ষ যত 'ডিজিটাল ইন্ডিয়ার' দিকে এগিয়ে যাবে ,ততই এই মানুষদের বেশি করে প্রয়োজন হয়ে পড়বে।  তরুণ তরুণীদের কাছে এটা একটি বড় সুযোগ। বাণিজ্যিক সংস্থাগুলিও নিরাপদে ব্যবসা করতে পারবেন এবং তরুণ তরুণীরাও নিজেদের জীবনের ইমারতকে মজবুত করতে পারবেন। এই চাহিদায় ভাটা পড়ার সম্ভাবনা নেই বলেই জানান বিশেষজ্ঞরা।

 ছাত্র-ছাত্রীদের হস্টেলের সুবিধা

 

 এক আন্তর্জাতিক গ্লোবাল নেটওয়ার্কিং সংস্থা যারা সাধারণত ট্যাক্স, অডিট এবং নানা বিষয়ে কাজ করে থাকেন তাঁরা তাঁদের সংস্থায় সাইবার সিকিওরিটি জানা দক্ষ কর্মীদের জন্য আরও পেশা গত সম্ভাবনা উন্মুক্ত করেছে। পদের সংখ্যা বাড়িয়েছে প্রায় দ্বিগুন। বিভিন্ন সরকারি দফতরেও এই বিষয়ে দক্ষ ব্যক্তিদের বিশেষ প্রয়োজন। তাই, এটা বলাই যায়, পেশার দিক থেকে 'সাইবার সিকিওরিটি' উজ্জ্বল ভবিষ্যতের এক অন্যতম সুরক্ষিত মঞ্চ।

 

যে সমস্ত পদে নিয়োগের সম্ভাবনা

নেটওয়ার্ক সিকিওরিটি ইঞ্জিনিয়ার

সাইবার সিকিওরিটি ম্যানেজার

সিকিওরিটি আর্কিটেক

সাইবার সিকিওরিটি এনালিটিক্স

চিফ ইনফরমেশন সিকিওরিটি অফিসার

সাইবার সিকিওরিটি ম্যানেজার

অন্যান্য


 









ধন্যবাদ

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২০

হসপিটাল ম্যানেজমেন্ট, সাফল্যের গুরুত্বপূর্ণ চাবিকাঠি

হসপিটাল ম্যানেজমেন্ট

সাফল্যের গুরুত্বপূর্ণ চাবিকাঠি


চাহিদা রয়েছে এমন দায়িত্বশীল এক পেশার মধ্যে 'হসপিটাল ম্যানেজমেন্ট' উল্লেখযোগ্য। এটা শুধু বর্তমানের জন্য নয়, আগামী দিনেও এই কোর্সের চাহিদা উত্তরোত্তর বাড়বে। কারণ, স্বাস্থ্য মানুষের জীবনের একটি প্রয়োজনীয় এবং অপরিহার্য অংশ। আর সেই স্বাস্থ্য পরিষেবাকে সুনিশ্চিত করতে অন্যান্য স্বাস্থ্য কর্মীদের মত হসপিটাল ম্যানেজমেন্টের যোগ্যতা সম্পন্ন ব্যক্তিদের গুরুত্ব অপরিসীম। হাসপাতালের কাজের ধরণ যেভাবে বদলে গিয়েছে সেখানে ম্যানেজমেন্ট যোগ্যতা থাকা মানুষের চাহিদা অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে এবং আরও বাড়বে।

যে সমস্ত তরুণ তরুণীরা সদ্য বিবিএ হসপিটাল ম্যানেজমেন্ট (স্নাতক) ডিগ্রি নিয়ে উত্তীর্ন হচ্ছেন তাঁদের কাছে পেশাগত জীবনের এক সার্থক দিক উন্মুক্ত হচ্ছে বলেই বিশেষজ্ঞদের ধারণা। একই ভাবে যে সমস্ত ছাত্রছাত্রীরা সদ্য ১০+ শ্রেণীতে উত্তীর্ন হয়েছেন তাঁদের কাছে দায়িত্বশীল এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের পেশা হিসেবে হসপিটাল ম্যানেজমেন্ট অতুলনীয়।

বিভিন্ন তথ্য থেকে জানা গিয়েছে যে অতীতে বিভিন্ন হাসপাতালে ম্যানেজমেন্টের এই দায়িত্ব সামলাতেন অভিজ্ঞ এবং সিনিয়র চিকিৎসকেরা। কিন্তু বর্তমানে হাসপাতালের চরিত্রের অনেক বদল ঘটেছে। হাসপাতালের চিকিৎসা পরিষেবার ওপর নির্ভর করে পৃথক ক্যাটাগরি তৈরী হয়েছে। মানুষের জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সংখ্যায় বাড়ছে হাসপাতাল বা নার্সিং হোম। যে কারণে পুরো বিষয়কে ম্যানেজ করার সময় হয়েছে। সে কারণেই হসপিটাল ম্যানেজমেন্ট ডিগ্রি থাকা তরুণ তরুণীদের কাছে পেশার দরজাও উন্মুক্ত হয়েছে।  গোটা ভারতবর্ষে হসপিটাল ম্যানেজমেন্টের কোর্সের চাহিদা উত্তরোত্তর বাড়ছে এবং বাড়বেও।  

মৌলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় 


১০+২ সমতুল্য কোনও পরীক্ষায় পাশ করে সিইটি-র মাধ্যমে এই কোর্সে ভর্তি হতে পারবেন যে কোনও (বিজ্ঞান, বাণিজ্য ও কলা) বিভাগের পড়ুয়া।


তিন বছরের কোর্স 

ম্যাকাউটের হরিণঘাটা ক্যাম্পাসে

কোর্স ফি: লক্ষ ৩৩৫০ টাকা 

বিশদ তথ্য পেতে ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

https://makautwb.ac.in

অথবা ফোন করুন

8017669359 

schoolconnectmakaut19@gmail.com

  তাঁরা হাসপাতালের সহ প্রশাসক অথবা ম্যানেজার অথবা কনসালটেন্ট হিসেবে কাজে যোগ দিতে পারেন। হাসপাতাল, নার্সিং হোম, কোনও বড় ক্লিনিক, যে কোনও চিকিৎসা কেন্দ্রে এই সমস্ত তরুণ তরুণীদের নিয়োগ করা হয়। বেশ কয়েক বছর অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করলে কোনও হাসপাতালের সিইও পর্যন্ত হওয়ার সুযোগ থাকে। তাঁরা নিজেদের হাসপাতাল বা নার্সিং হোম চালু করতে পারেন। শিক্ষকতা জীবন  বেছে  নিতে চাইলেও বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক হিসেবে যোগ দিতে পারেন।  কারণ এই ধরণের উজ্জ্বল পেশার প্রশিক্ষণ বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই দেওয়া হয়।

ছাত্র-ছাত্রীদের হস্টেলের সুবিধা

কোনও বিশেষ বিভাগের দায়িত্ব সামলাতে হতে পারে। প্রতিদিনের রোগীদের সম্পর্কে বিশদে তথ্য রাখা এবং সেগুলি পর্যালোচনা করে তাদের কাছে পরিষেবা পৌঁছনোর মত দায়িত্বের এবং সন্তোষজনক কাজের সুযোগ পাবেন হসপিটাল ম্যানেজমেন্ট পাশ করা এই তরুণ তরুণীরা। 

কোনও বিশেষ বিভাগের দায়িত্ব সামলাতে হতে পারে। প্রতিদিনের রোগীদের সম্পর্কে বিশদে তথ্য রাখা এবং সেগুলি পর্যালোচনা করে তাদের কাছে পরিষেবা পৌঁছনোর মত দায়িত্বের এবং সন্তোষজনক কাজের সুযোগ পাবেন হসপিটাল ম্যানেজমেন্ট পাশ করা এই তরুণ তরুণীরা।

 তথ্যে প্রকাশ, ২০২২ সালের মধ্যে গোটা দেশে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নতির জন্য বহু সরকারি বেসরকারি হাসপাতাল তৈরী হতে পারে। সেখানে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত বহু পেশার দিক উন্মুক্ত হবে বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের। এক তথ্যে জানা গিয়েছে, দেশের সার্বিক বৃদ্ধির ১৬-১৭ শতাংশ হারে স্বাস্থ্য খাতে বৃদ্ধি হচ্ছে। তার মানে এটা স্পষ্ট যে চিকিৎসক এর পাশাপাশি হাজার হাজার হসপিটাল ম্যানেজমেন্ট বা হাসপাতাল প্রশাসকের প্রয়োজন। তাই পেশাগত এবং মানসিক দিক থেকে এই সন্তোষজনক ডিগ্রি পেতে আগ্রহও বাড়ছে।  সময় পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে স্বাস্থ্য নিয়ে মানুষের চিন্তাভাবনার অনেক পার্থক্য ঘটছে। স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে কয়েকগুন বেশি পরিষেবা পেতে ইচ্ছুক সকলেই। সেই দিকে লক্ষ্য রেখে গোটা স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে ম্যানেজমেন্টের ভূমিকা অপরিসীম হয়ে উঠেছে। গোটা ব্যবস্থাকে সঠিক পথে পরিচালনা এবং   নিয়ন্ত্রণ করতে হসপিটাল ম্যানেজমেন্ট উত্তীর্ণদের ভীষণভাবে প্রয়োজন।  সে কারণেই ক্রমশ এই কোর্সের চাহিদা বাড়ছে। পরবর্তী কালে এমবিএ বা এমএইচএ করতে পড়লে মুকুটে সাফল্যের নয়া পালক যুক্ত হবে বলেই আশা।      

 

কোন পদে চাকরির সম্ভাবনা

·        হসপিটাল সুপারিন্টেডেন্ট

·        ডেপুটি  সুপারিন্টেডেন্ট

·        সিইও

·        কোনও বিভাগের প্রধান

·        প্রশাসক

·        স্বাস্থ্য পরিষেবা সুনিশ্চিত করতে দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার

·         হেলথকেয়ার ফিন্যান্স ম্যানেজার

·         আরও অনেক


 

কর্মক্ষেত্র

 

·        হাসপাতাল 

 ·        জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক ক্লিনিক, হাসপাতাল

·        স্বাস্থ্য বীমা কোম্পানি

·        মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

·        নার্সিং হোম

·        পাবলিক স্বাস্থ্য বিভাগ

·        হাসপাতাল কনসাল্টিং ফার্ম

·         মেডিক্যাল সফটওয়্যার কোম্পানি   

 ধন্যবাদ 

 


মাধ্যমিক - উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের সাহায্যে ম্যাকাউট

  ম্যাকাউটের বন্ধন মাধ্যমিক - উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের সাহায্যে ম্যাকাউট     আর মাস খানেক পরেই মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমি...